আপনি নিজেও অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন এই ৩ টি উপায়ে

অনেক লোকের স্বপ্ন অনলাইনে অর্থোপার্জন বা টাকা ইনকাম করবে। ইন্টারনেট আমাদের জীবনের একটি বিরাট অংশ দখল করে নিয়েছে, বিশেষ করে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় দেশব্যাপী লকডাউন নিয়ে এখন আরও বেশি লোক তাদের আর্থিক প্রবণতা বাড়াতে “অনলাইনে ইনকামের উপায়” খুঁজছেন।

আপনি নিজেও অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন এই ৩ টি উপায়ে

বর্তমানে (অনলাইনে টাকা ইনকাম) খুব কঠিন,কারন এটা ২০২০ সাল আর কমপিটিশন টা এতো বেশি যে আপনি ১-২ বছর  কঠিন পরিশ্রম পরও আপনি তেমন একটা সফলতা অর্জন করতে পারবেন না।

তবে কথায় আছে -(পরিশ্রম সফলাতার চাবিকাঠি) 


আপনি যদি "(অনলাইন ইনকাম)"  জন্য চেস্টা  করছেন,তবে কোথা থেকে শুরু করবেন তা নিশ্চিত না হলে এখানে কয়েকটি সেরা এবং বাস্তববাদী পদ্ধতি রয়েছে:

#১:Google Adsense(অনলাইন ইনকাম)


গুগল অ্যাডসেন্স (Google Adsense) থেকে আয় করার উপায়!

প্রতিদিন কত ওয়েবসাইট ভিজিট করেন আপনি? কখনো কি খেয়াল করেছেন ‘অ্যাডস বাই গুগল’ বা ‘অ্যাডচয়েজ’ এমন লেখা বিজ্ঞাপন? এগুলো কোথা থেকে আসে জানেন? গুগল অ্যাডসেন্স থেকে!

আপনি যদি অ্যাডস বাই গুগল লেখা কোন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেন তাহলে উক্ত ওয়েবসাইটের মালিক গুগলের কাছ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ রেভিনিউ পাবে। ইন্টারনেটে যত ওয়েবসাইট আছে তার অধিকাংশ ওয়েবসাইটই এই গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করে থাকে।

#.কিভাবে একটি অ্যডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় নিচের ভিডিওতে দেখুন:-
   

গুগল অ্যাডওয়ার্ডসের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতারা গুগলকে বিজ্ঞাপন দেয় আর সে বিজ্ঞাপনগুলো গুগল অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে ওয়েবমাষ্টার বা ব্লগাররা তাঁদের সাইটে প্রদর্শন করে। এটি (অনলাইনে টাকা উপার্জনের) একটি বৈধ এবং জনপ্রিয় মাধ্যম, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।

#.কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করা যায়?

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করতে হলে প্রথমেই যে জিনিসটা দরকার সেটা হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ; যেখানে নির্দিষ্ট কোন একটা বিষয়ের উপর প্রচুর তথ্য উপাত্ত থাকবে এবং বিভিন্ন সার্চ  ইঞ্জিন যেমন গুগল, ইয়াহু, বিং থেকে ভিজিটররা এসে ওয়েবসাইট বা ব্লগে তাদের আকাংখিত তথ্য এবং সমাধান পাবে।

দ্বিতীয়ত, একটি গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টের জন্য গুগলের নিজস্ব প্রাইভেসি পলিসি এবং টার্মস অব সার্ভিসেস গুলো মেনে আবেদন করতে হয়। দুই ধাপের ভেরিফিকেশন প্রসেস সম্পন্ন হওয়ার পর গুগল অ্যাডসেন্স কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীকে অ্যাপ্রুভাল দেয়।

আবেদন গৃহীত হওয়ার পর, ওয়েবমাস্টার বা ব্লগারকে অ্যাডসেন্স সাইট থেকে বিজ্ঞাপন জেনারেট করে তাদের নিজস্ব সাইটে বসাতে হয়। অ্যাডসেন্স রোবট সাইটের কনটেন্টের উপর ভিত্তি করে কন্টেক্সচুয়াল বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং ভিজিটররা উক্ত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা মাত্রই পাবলিশারদের অ্যাকাউন্টে প্রাপ্ত টাকাটা জমা হয়। প্রতি মাসের শেষের দিকে অ্যাডসেন্স কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টধারীর ঠিকানায় চেক ইস্যু করে।

#.গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য পেতে কতদিন লাগতে পারে?

গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য পুরোপুরি নির্ভর করে ওয়েবসাইট বা ব্লগের কনটেন্ট এবং সাইটে আসা ট্রাফিকের উপর। কেউ যদি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার ঠিক ২ মাসের মধ্যেই প্রচুর পরিমান ট্রাফিক সাইটে আনতে পারে, তবে ঠিক ২ মাস পর থেকেই আয় করা সম্ভব।

হতাশ না হয়ে, নিয়মিত ভালো মানের কনটেন্ট লিখে যেতে পারলে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে সাফল্য আসতে বাধ্য। যদি লেগে থাকার মতো ধৈর্য থাকে এবং নিয়মিত নতুন নতুন কনটেন্ট লিখে যাওয়া যায় তবে কেউ অ্যাডসেন্স নিয়ে কাজ শুরু করার ঠিক ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যেই সাফল্য পেতে পারে।

#.একজন অ্যাডসেন্স পাবলিশার মাসে কত টাকা আয় করতে পারে?

ব্লগ লিখে শত কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে আমাদের তরুণদের মধ্যে। শুধু গুগল অ্যাডসেন্সের একটি আয়ের তথ্য দেই। গুগল অ্যাডসেন্স মূলত গুগলের একটি পণ্য।

গতবছর গুগল এ পণ্য থেকে আয় করেছে ৭৭ হাজার ৬৮০ কোটি টাকারও বেশি বেশি পরিমাণ অর্থ (সূত্র: উইকিপিডিয়া)। তাঁরা মধ্য সুবিধা প্রদাণকারী হিসাবে কেটে রাখে।

এখন ৩২ শতাংশ থেকেই গুগলের যদি আয় হয় ৭৭ হাজার কোটি টাকার বেশি, তাহলে ৬৮ শতাংশ পেয়ে অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের আয় কত হিসাব করে দেখেছেন কখনও? আর এ আয়ের মাত্র ১ শতাংশও যদি বাংলাদেশি তরুণরা পায় তাহলে মোট কি পরিমাণ অর্থ দেশে আসা সম্ভব একবার হিসাব করে দেখুন। 

অন্যান্য দেশের অনেক তরুণ-তরুণীরাই একমাত্র গুগল অ্যাডসেন্স থেকে মাসে ৩০ হাজার ডলারের উপরে আয় করছেন। সঠিক দিক নির্দেশনা আর নিয়মিত সাধনা করে গেলে বাংলাদেশিরাও সমপরিমাণ বা তারচেয়ে বেশি আয় করতে পারে প্রতি মাসে।

#.কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্সের চেক দেশে আনবেন এবং কোথায় ক্যাশ করাবেন?

ভিডিওতে দেখুন:-
গুগল অ্যাডসেন্সের চেক সাধারনত দুটি উপায়ে বাংলাদেশে আনা যায়। একটি হলো- ডাক বিভাগের সাধারণ সার্ভিসের মাধ্যমে অথবা ডিএইচএল কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে।

সাধারণ ডাক সার্ভিসের মাধ্যমে একটি চেক ১৫ থেকে ২০ দিনের মতো সময় নেয় ঠিকানামতো পৌছাতে। তবে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাত্র ৪ দিনের মধ্যেই চেক আনা সম্ভব। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় অনেক সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাংক গুগল অ্যাডসেন্সের চেক ক্যাশ করে থাকে।

সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংক এবং সোনালী ব্যাংক অন্যতম। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে এক্সিম ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক গুগলের চেক ক্যাশ করে থাকে। লোকাল ব্যাংকগুলোতে ২০ থেকে ৪৫ দিনের মতো সময় লাগে একটি চেক ক্রেডিট হতে।

#.বাংলাদেশের তরুণরা গুগল অ্যাডসেন্সে কেমন করছে এবং তাদের সম্ভাবনা কতটুকু?

বাংলাদেশে এখন এমন গুগল অ্যাডসেন্স পাবলিশার রয়েছেন যারা ব্লগ লিখে আয় করছেন ৩ থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত।বাংলাদেশি তরুণরাই যে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করছেন তা আমি নিজেও জানতাম না এতদিন, সম্প্রতি ব্যাংকে আমার চেক জমা দিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ঠ ব্যাংক অফিসারের মুখেই শুনেছি একজন তরুণের গল্প, যে কিনা প্রতিমাসেই ৩ থেকে ৫ হাজার ডলারের গুগল অ্যাডসেন্স চেক জমা দেয় প্রতিমাসে।

বাংলাদেশে গুগল অ্যাডসেন্সে খুব ভালো করছে এরকম তরুন তরুনির সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অনেকেই প্রফেশনাল ব্লগিং এর দিকে নজর দিচ্ছে এবং উত্তরোত্তর নিজের দক্ষতা উন্নয়ন করে অ্যাডসেন্স থেকে বেশ ভালো অংকের টাকা আয় করছে। বর্তমানে প্রায় ৩৫ টি দেশের ভাষায় অ্যাডসেন্স চালু রয়েছে। 

দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, বাংলা ভাষায় এখনো অ্যাডসেন্স পাওয়া যায় না। অ্যাডসেন্স যদি বাংলা ভাষা সাপোর্ট করে; তবে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বাংলা ব্লগাররা প্রচুর আয় করার স্বপ্ন দেখতে পারে।

#.গুগল অ্যাডসেন্সে বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের কোথায় কোথায় উন্নতি করতে হবে?

গুগল অ্যাডসেন্স সেক্টরে বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। গুগল অ্যাডসেন্সের সফলতা অনেকাংশেই কনটেন্টের উপর নির্ভর করে। ইন্টারনেটে কনটেন্ট তৈরি করতে হলে এবং এ থেকে আয় করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ইংরেজি কনটেন্ট ডেভেলপ করা জানতে হবে, অর্থ্যাৎ কনটেন্ট তৈরিতে যেমন দক্ষতা থাকতে হবে তেমনি ইংরেজিও ভালো লিখতে জানতে হবে।

দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশের অধিকাংশ তরুণ ইংরেজিতে খুবই দুর্বল, আর এ কারণেই কনটেন্ট ডেভেলপমেন্টে ভালো কিছু করতে পারেনা।

ইংরেজি না জানা তাই আমাদের জন্য বেশ বড় একটি সমস্যা।গুগল অ্যাডওয়ার্ডের মাধ্যমে গুগল যত টাকা পায় তার ৬৮ শতাংশই দিয়ে দেয় অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের, আর মাত্র ৩২ শতাংশ পায় গুগল।

দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে, আমরা সঠিকভাবে মার্কেটিং করতে জানিনা। একটি ব্লগ পোস্ট আমি লিখলাম, সেটি তো পাঠকের দোরগোড়ায় পৌছতে হবে, নাকি? কিন্তু অধিকাংশ নবীন ব্লগার জানেননা একটি ব্লগের মার্কেটিং আসলে কিভাবে করতে হয়। 

এজন্য কমিউনিটি তৈরি করা, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানা এবং ব্লগের ব্র্যান্ডিং সহ নানা বিষয় জানার প্রয়োজন হলেও আমরা সেগুলো ভালোমতো জানিনা।

আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, গুগলের অ্যাডসেন্স পাবলিশারদের অ্যাকাউন্ট বাতিল হয়ে যাওয়া। বাংলাদেশি কোন পাবলিশারের ওয়েবসাইটে একটু বেশি ক্লিক থ্রু রেশিও (সিটিআর) অর্থ্যাৎ ক্লিকের হার বেশি হলেই অ্যাকাউন্ট বাতিল হয়ে যায়।

এ কারণেই অনেক ব্লগার মাঝপথে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। আমি নিজেও একবারে ৩ লক্ষাধিক টাকা সহ গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ব্যান খেয়ে অনেকদিন ব্লগিং থেকে দূরে ছিলাম। যদিও ব্লগিং প্যাশন আমাকে ব্লগ লেখা থেকে বেশিদিন দূরে রাখতে পারেনি।

শুধুমাত্র বেসিক ইংরেজি জ্ঞান এবং নিয়মিত লিখে যাওয়ার ধৈর্য্যই গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য পাওয়ার মূলমন্ত্র। বাংলাদেশী তরুন এবং বেকার যুবকরা তাদের অলস সময়ের কিছুটা সময় এর পিছনে ব্যয় করলে তাদের জীবনধারাই পাল্টে যেতে পারে। টাকা উপার্জনের এই ফ্রি এবং বৈধ প্লাটফর্মটিকে সঠিকভাবে কাজে লাগান গেলে বাংলাদেশ এই সেক্টর থেকেই প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রা আয় করতে পারে।

#.গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য পেতে হলে কি কি জানা জরুরি?

গুগল অ্যাডসেন্সে সাফল্য লাভের বেশ কতগুলো মূলমন্ত্র রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হচ্ছে:

পাঠক যাতে আপনার ব্লগ পড়ে স্বাচ্ছন্দ্য পায় এবং তার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো নোট করে রাখতে পাওে সেজন্য পয়েন্ট অথবা লিস্ট আকারে ব্লগ লিখুন। কখনো সার্চ ইঞ্জিনকে টার্গেট করে অযাচিত কিওয়ার্ড দিয়ে ব্লগ বানাবেন না। কারণ সার্চ ইঞ্জিনগুলো বড়জোর আপনাকে পাঠক এনে দিতে পারবে কিন্তু পাঠক যদি সাইটে বেশি সময় অবস্থান না করে তবে  কখনো বিজ্ঞাপনেও ক্লিক করবে না।

একজন ব্লগারের লেখা পড়তেই পাঠকরা তাঁর ওয়েবসাইটে আসবেন। আর ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসা মানেই যখন সাফল্য তখন সাফল্য পেতে এই লেখার প্রতিই সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া জরুরি। আপনি যত সুন্দর লিখতে পারবেন সাফল্যও ততদ্রুত আপনার দরজায় উঁকি দেবে।

ব্লগে প্রতিটি আর্টিকেল পাবলিশ করার সময় রিলেটেড ছবি ব্যবহার করবেন। গবেষনায়  দেখা গেছে যে, আর্টিকেলে ছবি থাকলে তা বিজ্ঞাপনে ক্লিক বেশি পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে কখনোই ছবির গা ঘেষে বিজ্ঞাপন বসানো যাবে না। ছবি থাকলে আর্টিকেল পড়তে মানুষজন আগ্রহী  হয় এবং বেশি সময় ধরে সাইটে অবস্থান করে। একটা জরিপে দেখা গেছে যে, একজন ভিজিটর যদি  বেশকিছু সময় ধরে সাইটে অবস্থান করে তবে তার মধ্যে আরো তথ্য জানার একটা আগ্রহ তৈরী হয় এবং তখনই কেবল সে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে।

প্রথমেই খুব বেশি টাকা পাওয়া যায় এমন কিওয়ার্ড টার্গেট করে ব্লগ বানাবেন না। প্রথমে কমদামি কিওয়ার্ড টার্গেট করুন এবং সাইটে ভিজিটর আসতে শুরু করলে তারপর বেশি টাকা পাওয়া যায় এমন কিওয়ার্ড টার্গেট করুন।

 নিয়মিত ভালো মানের লেখা পাবলিশ করুন। লেখা কখনোই অন্য সাইট থেকে কপি করা যাবে না। লেখার মান ভালো হলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে প্রচুর ভিজিটর পাওয়া যাবে। যেহেতু মোট ক্লিকের উপর টাকার পরিমাণ নির্ভর করে, সেহেতু যত বেশি সম্ভব ট্রাফিক আনা যায়, আয় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

কপিরাইট করা ছবি ব্যবহার করা যাবে না। কপিরাইটেড ছবি ব্যবহার করলে গুগল যেকোন সময় অ্যাকাউন্ট বাতিল করে দিতে পারে।

 উৎকট ছবি, উৎকট রং এবং অযাচিত উইজেট ব্যবহার করা যাবে না। এগুলো পাঠককে বিভ্রান্ত করে এবং সাইটের বাউন্স রেট বাড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার সম্ভাবনাও কমিয়ে দেয়।

 মোটামুটি সার্চ হয় এরকম কিওয়ার্ড টার্গেট করে ব্লগ তৈরি করুন। গুগলের এক্সটারনাল কিওয়ার্ড টুল ব্যবহার করে, কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং কমপটিটিভ এনালাইজ করে সঠিক কিওয়ার্ডগুলো নির্বাচন করুন এবং তার উপর ভিত্তি করে কনটেন্ট তৈরী করুন। যত বেশি কনটেন্ট পাবলিশ করা যায়, আয়ের সম্ভাবনা ততই বেশি।

একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে ব্লগিং করুন। জগাখিচুড়ি টপিক নিয়ে ব্লগিং করলে রিলেভেন্ট অ্যাডভারটাইজমেন্ট পাওয়া যায় না। ফলে বিজ্ঞাপনে ক্লিক পাওয়ার হার কমে যায়। সবচেয়ে ভাল হয় যদি গতানুগতিক টপিক সিলেক্ট না করে মার্কেট রিসার্চ করে এমন একটা টপিকে ব্লগিং করা যায় যেটা নিয়ে সচরাচর মানুষ ব্লগিং খুব কম করে। এতে করে কম্পিটিশন কম হয় এবং খুব সহজেই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর পাওয়া যায় এবং বিজ্ঞাপনের কস্ট পার ক্লিকও (প্রতি ক্লিকের মূল্য) বেশি পাওয়া যায়।

নিয়মিত সাইটের ট্রাফিক, সিটিআর (ক্লিক পড়ার হার) এবং পেজ ইম্প্রেশন মনিটর করুন। ইনভ্যালিড অথবা অস্বাভাবিক পরিমাণ ক্লিক পড়লে সাথে সাথে সেটা গুগলের কাছে রিপোর্ট করুন। এতে করে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়া থেকে বেঁচে যাবেন।

#২: অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং(অনলাইনে টাকা ইনকাম)

ভিডিওতে দেখুন:-
অনলাইন এ টাকা কামানোর জন্য আমরা সবাই বেশ আগ্রহী। এর জন্য আমরা অনেকেই ফ্রীলান্সিং ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি বিট করে কাজের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করি। কিন্তু নতুন দের জন্য বিট করে ফ্রীলান্সিং ওয়েবসাইট থেকে টাকা উপার্জন অনেক কঠিন। 

ভালো করে প্রোফাইল তৈরি করে বিট করার পর দেখা যায়, ক্লাইয়েন্ট অন্য একজন কে কাজটা দিয়ে দিয়েছে। তখন মাথার মেজাজ হয়ে যায় চরম। সত্যি কথা হলো ভালো করে প্রোফাইল তৈরি করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে করতে ৬ মাস বা ১ বছর লেগেই যায়।

অনেকে আবার বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করে গুগল এডসেন্স বা চিতিকা বা অন্য কোনো এড নেটওয়ার্ক এর এড-কোড ওয়েবসাইট এ বসিয়ে টাকা উপার্জন এর চেস্টা করেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আবার বাংলাদেশি এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেন। 

বস্তুত এ সকল এড নেটওয়ার্ক এর মধ্যে গুগল এডসেন্স ছাড়া অন্য সকল এড নেটওয়ার্ক থেকে ভালো টাকা উপার্জন করা কঠিন। এর মধ্যে গুগল এডসেন্স এর এতো বেশি কঠিন আইন-কানুন নতুন এডসেন্স পাব্লিশাররা হিমসিম খেয়ে যান। 

দেখা যায়, ২ টাকা জমতে না জমতে এডসেন্স একাউন্ট ব্যান্ড। অন্য এড নেটওয়ার্ক এর অবস্থা আরো খারাপ। তাদের এড এ ১০টা ক্লিক এ ১৫ টাকা আয় করতে খবর হয়ে যায়।

মজার কথা হলো, আমাদের মধ্যে অনেকে পিটিসি ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন এড এ ক্লিক করে টাকা কামানোর চেস্টা করেন। কেউবা আবার কেপচা র মতো মাথা ধরা কঠিন পরিশ্রম এর পরে ১ ডলার বা ৮০ টাকা কামান। উপরের সব গুলো রাস্তায় কম-বেশি (অনলাইন ইনকাম) করা যায়। মূল কথা হলো এদের মধ্যে কোনোটা কার্যকরী আবার কোনোটা তা নয়।

আমার মতে, এফিলিয়েট মার্কেটিং অনলাইন থেকে টাকা উপার্জন এর সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা। বিভিন্ন কোম্পানি তাদের সেবা বা পন্য বিক্রয় এর জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিং সেবা ব্যবহার করে। আমাজন ডট কম, ই-বে, কমিশন জাঙ্কশন বা সি-জে ওয়েবসাইট গুলো শুধুমাত্র এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কারনে বছরে কয়েক বিলিয়ন ডলার এর পন্য বা সেবা বিক্রি করে। 

এবং এই এফিলিয়েট মার্কেটিং যারা করেন, অর্থাৎ এফিলিয়েট মার্কেটার দেরকে তারা তাদের বিক্রিত পন্যের মোট মুল্যের পারসেন্টেজ আকারে টাকা দেয়। কোনো কোনো এফিলিয়েট মার্কেটার একটি বিক্রিত পন্যের উপর ১০০ ডলার এর বেশি আয় করতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কোন মূলধন এর দরকার হয় না। আপনি ফেইসবুক এ বসে বসেও এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। সুতরাং মজা করতে করতেও এফিলিয়েট মার্কেটিং করা যায়। 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর নিয়মটা খুব সহজ। আপনি যে পন্য বা সেবা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিক্রি করবেন, তার জন্য নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট এ রেজিস্ট্রেশন করে আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক বা এড কোড সংগ্রহ করবেন। 

এর পর ফেইসবুক বা স্কাইপ এ চ্যাট করার সময় আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক টি বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিন। বাড়তি ঝামেলার কোনো দরকার নেই। কেউ আগ্রহী হলে পন্য কিনবে। আর না কিনলেও ক্ষতি নেই।

পন্য বিক্রি হলে মাঝখান থেকে কমিশন পেয়ে গেলেন। মজার ব্যাপার হল, ফেইসবুক, টুইটার এ গ্রুপ এ শেষ নেই। তাই, নির্দিষ্ট পন্য সম্পর্কিত গ্রুপ বা পেইজ এ আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক ছড়িয়ে দিতে পারলে, 

আপনি একটা এফিলিয়েট লিঙ্ক থেকে কয়েক হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। এই টিপসটা নতুন এফিলিয়েট মার্কেটার দের জন্য বেশ কার্যকরী।

আপনার যদি কোনো ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে তাহলে এফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে আপনার আরো সুবিধা। আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক বা এর এড কোড আপনি সরাসরি বিজ্ঞাপন আকারে আপনার ওয়েবসাইট এ প্রদর্শন করাতে পারেন। 

এতে কোনো আগ্রহী ভিজিটর আপনার লিঙ্ক এ ক্লিক করে পন্য ক্রয় করলে আপনি তার কমিশন পেয়ে যাবেন। নিশ্চিন্ত থাকুন, চিতিকা বা বাংলাদেশি কোনো এড নেটওয়ার্ক থেকে বেশি আয় করতে পারবেন যদি আপনার ওয়েবসাইট পন্য সম্পর্কিত হয়। 

এছাড়া সরাসরি ইমেইল করে, আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক এর প্রচারনা করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। গুগল এ সার্চ করলে এফিলিয়েট লিঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়ার আরো অনেক রাস্তা খুঁজে পাবেন।

মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কেউ যদি আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক এ ক্লিক করার পর সাথে সাথে পন্য না কিনে, পরে অন্য কোনো সময়, সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে পন্য ক্রয় করে, তাহলে তো আপনি কমিশন পাবেন না। আসলে তা সঠিক নয়। 

আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক এ ক্লিক করার পর সাথে সাথে ব্রাউজার একটা কুকিস(আপনার এফিলিয়েট লিঙ্ক এর) সংগ্রহ করে রাখে। তাতে, পরে ঐ ভিজিটর পন্য ক্রয় করলেও আপনি (ঐ কুকিস এর কারনে) আপনার কমিশন ঠিক-ঠিক পেয়ে যাবেন।

আমরা বাংলাদেশীদের জন্য এফিলিয়েট মার্কেটিং একটা সুবর্ণ সুযোগ। বাংলাদেশি অনেক প্রতিষ্ঠান এফিলিয়েট মার্কেটারদের কে পন্য বা সেবা বিক্রির জন্য নগদ টাকা দেয়। তাদের অনেকে বিকাশ বা মোবাইল এর মাধ্যমে টাকা তোলার সুযোগ দেয়।

#৩: YouTube (অনলাইন ইনকাম)


এটা সত্যি যে YouTube এর দ্বারা video আপলোড কোরে আপনি (অনলাইন ইনকাম) করতে পারবেন। কিন্তু, তা তখনি সম্ভব যখন আপনি ধোর্য ধরে প্রথমে নিজের YouTube চ্যানেলটি বানাবেন এবং সেট করবেন। চ্যানেল বানানোর থেকে টাকা ইনকাম করা অব্দি আপনার অনেকটা কাজ ধর্য ধরে করতে হবে।
তা করতে পারলে আপনি অবশই নিজের চ্যানেল থেকে (“অনলাইন আয়”) করা আরম্ভ করতে পারবেন এবং নিজের YouTube চ্যানেল কে একটা business হিসেবে চালাতে পারবেন।

তাহলে চলেন নিচে আমরা ইউটিউব চ্যানেল দ্বারা “টাকা ইনকাম” জন্য কি কি করতে হবে তা স্টেপ বাই স্টেপ জেনে নেই।

১. YouTube এ নিজের একটি চ্যানেল বানান?

প্রথম এবং দরকারি কাজটা হলো, “নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল বানানো“। চ্যানেল বানানোর পর আপনি তাতে নিজের মন মতো ভিডিও  আপলোড করতে পারবেন। কিন্তু, এখন কথা হলো “YouTube চ্যানেল কি করে বানাবেন ?” তাই তো।

নিজের একটি চ্যানেল বানানোর জন্য আপনার প্রথমে “ইউটিউব ওয়েবসাইটে” যেতে হবে। ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার প্রথমে নিজের Gmail account details (আইডি এবং পাসওয়ার্ড) দিয়ে YouTube এ লগইন করতে হবে। 

আমি আগেই বলেছি, ইউটিউব Google এর একটি service তাই ইউটুবে লগইন করতে হোলে বা একাউন্ট বানাতে হলে আপনার কেবল জিমেইল আইডি আর পাসওয়ার্ড এর প্রয়োজন হবে।

আজকাল সবাইর একটি জিমেইল একাউন্ট আছেই আর আপনি নিজের সেই জিমেইল আইডি দিয়েই YouTube এ লগইন কোরে নিতে পারবেন। আপনার যদি Google account নেই, তাহলেও আপনি “জিমেইল এর ওয়েবসাইটে” গিয়ে বানিয়ে নিতে পারবেন।

এখন নিজের চ্যানেলে গিয়েই (লগইন কোরে) আপনি ভিডিও আপলোড করতে পারেন। আপনার আলাদা চ্যানেল বানানোর কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু, যদি আপনি নিজের একটি আলাদা ইউটিউব চ্যানেল বানাতে চান, তাহলে তা অবশ্যই পারবেন।

#.Youtube এ চ্যানেল কিভাবে বানাবেন ?
ভিডিওতে দেখুন:-
চ্যানেল বানানোর জন্য আপনার প্রথমে যা আমি বললাম, নিজের ইউটিউব একাউন্টে গিয়ে জিমেইল আইডি দিয়ে লগইন কোরতে হবে।

YouTube এ লগইন করার পর, আপনি ঠিক উপরে দান দিকে শেসে একটি ছোট্টো “icon এর লোগো” দেখবেন। আপনাকে সেই আইকন তাকে ক্লিক করতে হবে।

Icon টিতে ক্লিক করার পর আপনি একটি ছোট্ট মেনু দেখবেন। মেনুতে আপনার নাম ও “creator studio” বলে একটি অপসন দেখবেন। আপনি Creator studio অপসন টাতে ক্লিক করুন।

Creator studio তে যাবার পর আপনি নিজের YouTube channel dashboard দেখবেন। এখানে আপনি ওপরে নিজের চ্যানেলের নাম এবং চ্যানেলের সাথে জড়িত সবরকমের অপশন পেয়ে যাবেন।

এখন নিজের চ্যানেল চালু করতে হলে আপনার প্রথমেই একটি কাজ করতে হবে। সেই কাজটি হলো “Verify YouTube channel” . হ্যা! আপনাকে নিজের YouTube চ্যানেলটিকে ভেরিফাই করতে হবে তারপর আপনি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করে টাকা আয় করতে পারবেন।

চ্যানেল ভেরিফাই করার জন্য আপনি এখন, Channel dashboard এ গিয়ে বাম দিকে থাকা অপশনগুলি থেকে “Channel” এ ক্লিক করুন।

Channel অপশনে ক্লিক করার পর আপনি উপরেই “Verify” লিংক দেখবেন। আপনি verify লিংকটিতে ক্লিক করুন এবং নিজের চ্যানেলকে মোবাইল নম্বর দিয়ে ভেরিফাই করেনিন। এরপর আপনি নিজের চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করতে পারবেন আর  তাছাড়া ভিডিও তে বিজ্ঞাপন বা (ads) দেখিয়ে (অনলাইন থেকে ইনকাম  করতে পারবেন।

আপনি যদি অন্য নামের নতুন চ্যানেল বানাতে চান তাহলে ইউটুবে লগইন করে, উপরে ডানদিকে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন। তারপর creator studio অপশনের শেষে “Geartor icon” ক্লিক করুন। এতে ইউটুবে Settings page খুলে যাবে যেখান থেকে আপনি “Create a new YouTube channel” অপশনটি পাবেন।

এখন “Create a new YouTube channel” লিংক টিতে ক্লিক করে নিজের মন মতো নাম দিয়ে একটি YouTube চ্যানেল বানিয়ে নিন।

আমি আপনাদের নিজের চ্যানেল কিভাবে বানাবেন তা বললাম। চলেন এখন চ্যানেল বানানোর পর কি করতে হবে তা জেনে নেই।

#. নিজের YouTube চ্যানেলে ভিডিও আপলোড করেন!
ভিডিওতে দেখুন:-
চ্যানেল বানানোর পরেই যে আপনি নিজের ইউটিউব থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন তা নয়। টাকা ইনকামের জন্য এখন আপনাকে অনেক কিছুই করতে হবে। আর, সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো “নিজের চ্যানেলে ইন্টারেষ্টিং ভিডিও বানিয়ে আপলোড করা”।

আমি আগেই বলেছি, ইউটুবে আপনি যা ভিডিও আপলোড করবেন সেগুলিতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আপনি গুগল এডসেন্সের দ্বারা (অনলাইনে ইনকাম) করতে পারবেন। আর তাই, আপনি কি ভিডিও আপলোড করছেন তা অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ কথা।


যদি আপনি ইউটিউব থেকে সত্যি taka income করতে চান, তাহলে একটা কথা অবশ্যই মনে রাখবেন। আপনি নিজের চ্যানেলে অন্য কারোর ভিডিও আপলোড করবেন না। কেবল নিজে বানানো ইন্টারেষ্টিং এবং যা ভিডিও দেখে লোকেদের কাজে আসবে সেরকম ভিডিও বানাবেন এবং আপলোড করবেন।

এতে, লোকেরা আপনার ভিডিও বেশিকরে দেখবে এবং তার ফলে বিজ্ঞাপন ও বেশিকরে আপনার ভিডিওগুলিতে দেখানো হবে আর আপনার ইনকাম ও বেশি করে হবে।

মনেরাখবেন, যদি আপনি নিজে এমন জিনিসের ভিডিও বানান যেগুলি লোকেরা জানতে চায়, শিখতে চায় বা দেখে আনন্দ পায় তাহলে আস্তে আস্তে আপনার YouTube চ্যানেলে ভিজিটর, subscribers এবং ভিউ বাড়বে এবং আপনাকে success হতে কেও থামাতে পারবেনা।


উপসংহার:

তাহলে আমার এই পোস্ট শিখলাম কিভাবে “অনলাইন ইনকাম” করবেন। তারপরও কারও কোনো যদি বিষয় বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে অব্যশই কমেন্ট করে আমাকে জানাবেন যতটুকু পারি আপনাকে সাহায্য করবো,পোস্ট টি যদি আপনার কোনো উপকারে আসে তাহলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।         

Guys, If You Need Font Copy And Paste For Instagram ,Twitter ,Fb Like Other Social Media So Click Here this Link.

2 Comments

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

  1. Awesome ... by commenting three times bigger than the size of this post and it will not be possible to express the quality of this post. I am really surprised by the quality of your constant posts.
    You really are a genius, I feel blessed to be a regular reader of such a blog Thank you so much💋💕💋

    ReplyDelete
  2. You really are a genius, I feel blessed to be a regular reader of such a blog Thanks so much Definition of love

    ReplyDelete

Post a Comment

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment

Previous Post Next Post