নতুনরা কিভাবে একটি ব্লগ তৈরি করবেন-2021(Step By Step)

নতুনরা ২০২১-এ "ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি  ব্লগ শুরু করবেন" এবং সেই ব্লগ থেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করবেন ধাপে ধাপে জেনে নিন।কীভাবে 2021এ একটি ব্লগ তৈরি করবেন এবং ব্লগ থেকে প্রতি মাসে 10,000 ডলারের বেশি উপার্জন করবেন।আমি নিজেও ব্লগ থেকে ভালো টাকা ইনকাম করে নিচ্ছি।


কীভাবে একটি ব্লগ তৈরি করে-২০২১ এ জিরো থেকে $10,000 ডলার প্রতি মাসে ইনকাম করবেন যা বাংলাদেশের  ৮ লক্ষ টাকা প্রায়।আপনি কি আজ থেকে একটি নতুন “ব্লগ শুরু করার”পরিকল্পনা করছেন?তাহলে আপনি সঠিক যায়গায় এসেছেন।

নতুনরা ২০২১-এ "ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি  ব্লগ শুরু করবেন" এবং সেই ব্লগ থেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করবেন ধাপে ধাপে জেনে নিন।কীভাবে 2021এ একটি ব্লগ তৈরি করবেন এবং ব্লগ থেকে প্রতি মাসে 10,000 ডলারের বেশি উপার্জন করবেন।আমি নিজেও ব্লগ থেকে ভালো টাকা ইনকাম করে নিচ্ছি।
সম্প্রতি ইন্ডিয়ায় (Anil Agarwal) নামে এক ব্যক্তি ২০১৯ সালে প্রতি মাসে তার 10000 ডলার ইনকাম করে যা বাংলাদেশ কারেন্সি হিসাবে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা এবং সে একবছরে $120,000 বেশি ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ টাকা কতো হবে একবার চিন্তা করছেন শুধু একটি ব্লগ থেকে গত বছর।শুনতে অবাক লাগছে -

হ্যাঁ, শুধু তাই নয় এখনও Bloggers passion নামে এই ব্লগটি ধারাবাহিকভাবে প্রতি বছর ,100,000 ডলার ইনকাম করে।২০১৮ সালে 106,000 ডলার ইনকাম করেছে যা বাংলাদেশী প্রায় ৮ কোটি ৪৮ লক্ষ টাকা একবছরে।

Anil Agarwal প্রতি বছর একই ভাবে তার ব্লগ থেকে কোটি কোটি টাকা ইনকাম করে নিচ্ছে।আমার কথা বিশ্বাস না হলে এখানে প্রমান দেখুন?Anil Agarwal কাছে প্রতি মাসে 10 হাজার ডলার বা তার বেশি ব্লগ থেকে ইনকাম করা কোন ব্যাপার না।

যাই হোক, আমি আপনাকে এই সহজ পদক্ষেপগুলি বলার আগে, আমি আপনার খুব সাধারণ সন্দেহ কিছু মুছে ফেলতে চাই।

কেন আপনি একটি ফ্রি ব্লগ /Blogspot শুরু দিয়ে করবেন না।আপনি যদি বিভ্রান্তিতে পড়ে থাকেন বা কোথাও থেকে আপনি শুনেছেন যে কোনও ব্লগ শুরু করা ফ্রি, তবে আপনাকে এটি ব্যাখ্যা করতে আমি আপনার কয়েক মিনিট সময় নেব।

Blogger, Wix, WordPress.comএবং অন্যান্য আরও অনেক সাইট রয়েছে যারা আপনাকে একটি ফ্রী ব্লগ তৈরি করে দেবে। তবে একটি ফ্রী ব্লগের অনেকগুলি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।আপনার ব্লগটি আপনার নাম.ব্লগস্পট.কম বা yourname.wix.com এর মতো একটি সাব-ডোমেনে হোস্ট করে দেবে যা আপনার লম্বা এবং পড়া সহজ হয় হবে না। তবে আপনার ব্লগ onlinekaj.com এর  মতো সংক্ষিপ্ত এবং সহজ হলে ভালো হয়।

আপনার ক্লায়েন্ট,আপনার বিজ্ঞাপন-দাতা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপনার পাঠকরা আপনাকে গুরুত্ব সহকারে নেয় না।যেমন:-Onlinekaj.blogspot.com আপনার ফ্রী ব্লগ ডিজাইন ও হোস্ট করার জন্য অনেকগুলি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

আপনার যদি সমস্ত সামগ্রী শেষ পর্যন্ত ফ্রি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।এক সময় তারা আপনার সামগ্রী বা বিনামূল্যে ব্লগ সার্রভার থেকে মুছে ফেললে আপনি কিছুই করতে পারবেন না।এটি Blogger, Wix এবং এমনকি WORDPRESS.com ইত্যাদির মতো একটি বিনামূল্যে ব্লগিং প্ল্যাটফর্মের সমস্যাগুলি।

এছাড়াও,আমি শত শত ব্লগারকে জানি যারা ফ্রি প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করেছিলেন,যখন তারা ফ্রী থেকে hosting প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তরিত করতে চায়।(তারা অনেক লছে পড়ে) এবং কীভাবে এই স্থানান্তরিত হওয়ার জন্য তারা খুব ক্ষতি গ্রস্ত হয়।

এবং কেবল স্থানান্তরিত সমস্যা নয়, ফ্রি থেকে তাদের স্ব-হোস্ট করা ব্লগে স্থানান্তরিত করতে গিয়ে তারা শ্রোতা, ট্র্যাফিক এবং ইনকামও হারিয়ে ফেলেছে।

সুতরাং,আমি আপনাকে একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ওয়েব হোস্ট সহ Bluehost এর সাথে "টাকা দিয়ে হোস্ট করা বা ব্লগ তৈরির প্রস্তাব দিচ্ছি"।এখানে এক বছরের জন্য $ 75 ডলারের খরচ হয় ডোমেইন এবং হোস্টিং সহ।একটি হোস্টিং কিনার পর আপনি আনলিমিটেড ওয়েবসাইট রান করতে পারবেন।মাএ একটি হোস্টিং কিনে যত খুশি ততো ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। 

বন্ধুরা, একটি ব্লগ তৈরি  করা অত্যন্ত সহজ তবে এ থেকে টাকা ইনকাম করা এতটা সহজ নয়।তবে কথায় আছে -আপনি যদি মন দিয়ে কোনো কাজ করেন তাহলে success আপনার দুয়ারে উকি দেবে।  আজকে আমি আপনাদের মাঝে Wordpress দিয়ে কিভাবে একটি ব্লগ তৈরি করবেন এবং সেই ব্লগ থেকে মাসে মিনিমাম  ১,০০০ ডলাররে বেশি  ইনকাম করবেন সেই সম্পর্কে আলোচনা করবো।
 
    অবশ্যই পড়ুন -

    ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্লগ তৈরি করবেন এবং ১,০০০০০ ইনকাম করার সহজ ৫ উপায়।

    ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি ব্লগ তৈরি করবেন এবং ১,০০০০০ ইনকাম করার সহজ ৫ উপায়।

    বন্ধুরা ২০২১ সালে আপনার কোনও "ব্লগ শুরু" করার এবং কোন বিষয় গুলো আপনার জন্য লাভজনক হবে তার একমাত্র গাইড।এটি একটি নতুন ব্লগ শুরু করার জন্য একটি বিস্তারিত গাইড। 

    আসুন শুরু করা যাক “ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে একটি সফল ব্লগ তৈরির জন্য 5 টি সহজ-অনুসরণ অনুকরন পদক্ষেপ” এবং এটি থেকে আমরা কীভাবে প্রতি মাসে 10,000 ডলারেরও বেশি টাকা ইনকাম করবো সে সম্পর্কে প্রথম আলোচনাঃ

    Step 1.ব্লগের বিষয় পছন্দ করুন?

    ব্লগের বিষয় পছন্দ করুন?

    নতুন একটা ব্লগ শুরু করার ক্ষেত্রে সবচাইতে কঠিন কিন্তু গুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, আপনি কি নিয়ে লিখবেন, সেই বিষয় মনস্থির করা। মানে ব্লগের বিষয় নির্বাচন করা। আপনি যদি ব্লগের জন্য এমন একটা বিষয় নির্বাচন করেন, যেই বিষয়ের প্রতি আপনার কোন ব্যক্তিগত ভালোলাগা বা ইন্টারেস্ট নাই, তাহলে আপনি ব্লগিংয়ে মোটেও ভালো করতে পারবেন না।

    আর সেই বিষয়ের প্রতি আপনার কেমন ভালো লাগা বা ইন্টারেস্ট আছে, সেটি আপনার লেখাতেই ফুটে উঠবে।আর পাঠকরা কিন্তু ঠিক এই জিনিসটাই প্রত্যাশা করে।যেই বিষয়ে আপনার ভালো ইন্টারেস্ট আছে, সেই বিষয়ে ব্লগিং শুরু করলে কয়েকটি ঘটনা ঘটবে :-
    • ব্লগিংয়ের পেছনে সময়, পরিশ্রম দিতে আপনার মোটেও বিরক্ত লাগবে না, বরং ভালো লাগবে। যেটা ব্লগিংয়ে আপনাকে সফল হতে সবচাইতে বেশি সাহায্য করবে।
    • ভবিষ্যতে এই ব্লগ পরিত্যাগ করার সম্ভাবনা একদম কম আপনার।
    • আপনি ব্লগিং শুরু করলেন, কয়েকদিন পরেই কি লিখবেন, নতুন কোন আইডিয়া খুজে পাচ্ছেন না। এমন হওয়ারও সম্ভাবনা একদম কম আপনার
    • আর শুধুমাত্র লাভের কথা চিন্তা করে আপনি যদি ব্লগের বিষয় নির্বাচন করেন,  যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, ধারণা নেই, কোন ভালো লাগা নেই। তাহলে আপনি কিভাবে সেই বিষয়ে লিখবেন?
    • যদি এমন হয় যে আপনি নিজেই জানেন না,  আপনি কি বিষয়ে লিখছেন, তাহলে পাঠকরা কেন আপনার লেখা পড়বে?
    এখন কথা হচ্ছে-

    কিভাবে আপনার PASSION খুজে বের করবেন? 

    প্রতিটি মানুষেরই নিজস্ব কিছু passion আছে, ভালো লাগা আছে।আপনার সুবিধার জন্য আমি কিছু প্রশ্ন দিলাম,যেই প্রশগুলো আপনি আপনাকেই করবেন।এতে করে আপনার সত্যিকারের passion বের হয়ে আসবে।
    1. আপনার শখ কি কি?
    2. আপনি আপনার অবসর সময় কিভাবে কাটান?
    3. একজন মানুষের অবসর সময় কিভাবে কাটানো উচিৎ।
    4. কোন বিষয় নিয়ে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে বা পরিবারের সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে কাটিয়ে দিতে পারবেন?
    5. স্কুলে বা কলেজে কোন ধরনের ক্লাসগুলো আপনি সবচাইতে বেশি উপভোগ করতেন?
    6. কোন বিষয়ে আপনি পড়তে বা শিখতে পছন্দ করেন?
    কেউ যদি এসে আপনাকে বলে যে, টাকা নিয়ে চিন্তা করো না,বাকি জীবন যে কোন একটা কাজ করে কাটিয়ে দাও। আপনি কোন কাজটি করবেন?

    প্রশ্ন টা একটু অন্য রকম হয়ে গেলো। কিন্তু এই প্রশ্নগুলো আপনাকে আপনার সত্যিকারের passion খুজে বের করতে সহায়তা করবে।

    "ব্লগের বিষয় নির্বাচন"এর ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় আপনার মাথায় রাখতে হবে,তা হচ্ছে আপনি যেই বিষয়টি নির্বাচন করতে যাচ্ছেন,তা আপনার পাঠকদের জন্য ফলপ্রসু কিনা।মানে আপনার পাঠকরা তাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে আপনার লেখা পড়ে কোন ভ্যালু পাবে কিনা।

    আপনার মাথায় রাখতে হবে, মানুষ ইন্টারনেটে সার্চ দেয় কেন? অবশ্যই কোন কিছু জানার জন্য অথবা তার কোন একটা সমস্যা সমাধানের জন্য।

    মানুষের সমস্যার কোন শেষ নেই। সকল সমস্যার সমাধান দেওয়ার তো দরকার নেই আপনার। আপনি যেই টপিক টি নির্বাচন করতে যাচ্ছেন, সেই টপিকের উপর সমাধান দিতে পারলেই হলো।ধরে নিলাম, আপনি একজন ফ্যাশন সচেতন মানুষ। 

    নিত্য নতুন ফ্যাশন সম্পর্কে আপনি আপডেটেড। পহেলা বৈশাখ, ঈদ, পূজা সহ বিভিন্ন উৎসবে, বিয়ে, গায়ে হুলুদে কেমন ফ্যাশন এখন চলছে, তা আপনার জানা।তার মানে যারা ফ্যাশন নিয়ে জানতে চায়, তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান আপনি দিতে পারছেন নিয়মিতভাবে।তাহলে আপনি ফ্যাশন নিয়ে ব্লগ শুরু করলে ভালো করতে পারবেন। এটা একটা উদাহরণ দিলাম আপনার বুঝার সুবিধার জন্য।

    আপনার টপিক টি সম্প্রসারণ যোগ্য কিনা, মানে, এই বিষয়ের উপর আপনি অনেকগুলো ব্লগ পোস্ট করতে পারবেন কিনা।

    নিচে কিছু ব্লগ (NICHE) দেওয়া হল:

    • ট্রাভেল 
    • বডি ফিটনেস
    • আপনার নিজ শহর
    • ফটোগ্রাফি
    • ফ্যাশন
    • রান্নাবান্না
    • গাড়ি
    • মটর সাইকেল
    • মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট
    • ভিডিও গেম
    • বাগান
    • মাছ ধরা
    • চারু ও কারুশিল্প
    • বিড়াল ( যে কোন গৃহপালিত পশু)
    • গ্রাফিক্স ডিজাইন
    • মুভি
    • ইন্টরিয়র ডিজাইন
    • ভেষজ ওষুধ
    • নতুন কোন ভাষা শেখা
    • ধর্ম
    • সংস্কৃতি

    Step 2: একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনুন আপনার ব্লগের জন্য?

    ব্লগের জন্য ডোমেইন এবং হোস্টিং

    বন্ধুরা “ওয়ার্ডপ্রস দিয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি জন্য” আপনকে অবশ্যই একটি ডোমেইন নাম এবং হোস্টিং কিনতে হবে। কারন আপনার কন্টেন্ট বা আপনার জিনিস গুলো রাখার জন্য একটা সার্ভার প্রয়োজন। 

    তা না হলে আপনি আপনার ওয়েবসাইট টি কিভাবে পরিচালনা করবেন। তাহলে চলুন জেনে নেয়, ব্লগের জন্য ডোমেইন এবং হোস্টি কিভাবে কিনবেন বা কোথা থেকে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট জন্য হোস্টিং ক্রয় করবেন।


    Note:
    আমি আপনাকে বাধ্য করছি না যে আপনি আমার নিদের্শ অনুযায়ী ডোমেইন এবং হোস্টিং ক্রয় করার জন্য,আরও অনেক হোস্টিং কম্পানি রয়েছে আপনি সেখান থেকেও কিনতে পারবে।

    ব্লগের ডোমেইন নাম কি?

    ব্লগের ডোমেইন নাম

    ডোমেইন হচ্ছে কোন একটা ওয়েবসাইটের নাম। যেমন www.google.com এখানে www হচ্ছে World Wide Web এর পুর্নরূপ এবং ডোমেইন হচ্ছে google.com অথবা www.onlinekaj.com

    আসুন আর একটু সহজ ভাবে বুঝে নেই। মনে করুন আপনি একটি ব্যবসা নতুন করে শুরু করতে চাচ্ছেন। আপনি তাহলে সর্বপ্রথম যে কাজটি করবেন সেটি হচ্ছে এই ব্যবসার জন্য একটি সঠিক এবং সুন্দর নাম নির্বাচন করা। 

    এবং নাম নির্বাচন করা হয়ে গেলে এবার আপনি চাইবেন নামটা যেন আর কেউই ব্যবহার করতে না পারে এবং এজন্য আপনি এই নামে ব্যবসাটিকে ট্রেড লাইসেন্স করে নিলেন। তাহলে এখন এই নামটি আপনি আপনার ব্যবসার জন্য সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।

    এবার এই পুরো বিষয়টিকেই অনলাইনে নিয়ে আসুন। আপনার বিজনেসটি যখন অনলাইনে হবে তখন আপনি একটি নামে ব্যবসাটিকে সকলের কাছে পরিচিত করতে চাইবেন,আর ঐ নামটিই হচ্ছে ডোমেইন (Domain)।

    সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর যেমন নাম রাখা খুবই জরুরী ঠিক তেমনি আপনার ব্যবসায়ের ডোমেইন নেইম ঠিক ততখানিই জরুরী। কারণ যতদিন আপনার ব্যবসায় বা ব্লগটি থাকবে তা সেই নামেই পরিচিত হবে।

    আপনার ব্লগ বা ব্যবসায়ের ডোমেইন নেইম ঠিক করার অনেকগুলো চলিত নিয়ম রয়েছে, যা আপনার ব্লগে/ব্যবসায়ের নাম বাছাই করার ক্ষেত্রে বেশ ভাল ভূমিকা রাখবে। আপনার ব্যবসা বা ব্লগের ধরণের উপর নির্ভর করে আপনি নাম ঠিক করতে পারেন। যাইহোক, আপনাকে অনলাইনে পরিচিত হতে হলে অবশ্যই একটি ইউনিক নাম ভেবে রাখা উচিত।

    একটি সুন্দর বা যথাযথ ডোমেইন খুঁজে বের করা, একটি ব্যবসার নাম নির্ধারণ করার মতই কঠিন একটি কাজ। এটা করতে অনেক চিন্তাভাবনার পাশাপাশি আরও অনেক বিষয় বিবেচনায় রাখতে হয়। যেহেতু ডোমেন নামটি ওয়েবে আপনার বা আপনার ব্যবসার পরিচয় বহন করবে, তাই অবশ্যই এমন একটি নাম নির্বাচন করতে হবে, যা শুধুমাত্র আপনার ব্যবসার পরিচয়ই বহন করবে না, সাথে সাথে সেটি যেন অন্যরা সহজে খুঁজে পায় এবং আপনি যেন নামটি সব জায়গায় ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। একটি সুন্দর ও যথাযথ ডোমেইন খুঁজে বের করতে যে বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে।

    নামটি ছোট রাখার চেষ্টা করুনঃ

    ডোমেইন নাম যদি বড় বা জটিল ধরনের হয়, তাহলে আপনার ভিসিটররা নামটি ভুলভাবে উচ্চারন করতে বা লিখতে পারে, এতে আপনার ভিসিটর হারানোর ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তাই, অবশ্যই চেষ্টা করবেন নামটি ছোট এবং সরল ধরনের রাখতে।

    অর্থবহ ও সুন্দর নাম খুঁজুনঃ

    সহজ , অর্থবহ এবং সুন্দর শ্রুতিমধুর একটি নাম মানুষ সহজে মনে রাখতে পারে । সহজ একটি নাম সহজে যেমন বলা যায়, তেমনি সহজে লেখাও যায় । তাই, সুন্দর ও সহজে উচ্চারিত অর্থবহ সুন্দর নাম খুঁজুন । যদি ইংরেজি নাম খুঁজেন তাহলে সুন্দর একটা ইংরেজি নাম খুঁজুন , এবং বাংলা নাম ব্যবহার করতে চাইলে দেশের ভেতর মানুষ কি নাম পছন্দ করতে পারে সেই নাম নিয়ে চিন্তা করুন । কারণ , প্রথমেই আপনার ব্র্যান্ড কিংবা ডোমেইনটি সেই সুন্দর নামটি দিয়েই সবার কাছে পরিচিত হবে।

    সেজন্যেই সুন্দর অর্থপূর্ণ ডোমেইন কিংবা ব্র্যান্ড নাম এর ক্ষেত্রে এখনই গুরুত্ব দিতে শুরু করুন এবং অবশ্যই (১.২.৩)এগুলা সংখ্যা ব্যবহার করবেন না ডোমেইন নামের মধ্যে, এতে করে ডোমেইন নামটি প্রফেশনাল মনে হয়না ও ব্র্যান্ড হিসেবেও মানুষের খুব একটা গ্রহণযোগ্যতা পায়না। 

    সেজন্যে ডোমেইনের ক্ষেত্রে সংখ্যা ব্যবহার পরিহার করুন , কারণ আপনার প্রতিষ্ঠানের সুন্দর ডোমেইন কিংবা ব্র্যান্ড নাম টিই হয়ত আগামী দিনের তাক লাগিয়ে দেয়া একটা প্রতিষ্ঠানের নাম হতে পারে ।

    সংখ্যা বা হাইফেন ব্যবহার করবেন না?

    সংখ্যা বা হাইফেন অনেক সময় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে। ডোমেন এ ড্যাশ ব্যবহার করলে তা dash হবে নাকি (-) হবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যায় আবার অনেকেই ড্যাশ লিখতে বা টাইপ করতে ভুলে যেতে পারেন। এরকম ক্ষেত্রে আপনি কিছু কাঙ্ক্ষিত ভিসিটর হারাবেন।

    উদাহরনস্বরূপ বলা যায় প্রথম আলো’র ডোমেইন নেম অ্যাড্রেস পরিবর্তনের বিষয়টা। তারা ড্যাশ সমস্যা সমাধানের জন্য পূর্বে ব্যবহৃত ওয়েব অ্যাড্রেস prothom-alo.com পরিবর্তন করে বর্তমানে prothomalo.com ব্যবহার করছে। 

    একইভাবে, সংখ্যার ক্ষেত্রে ডোমেন এ যদি সিক্স (6) ব্যবহার করা হয়, তাহলে টাইপ করার সময়, সেটা six হবে নাকি 6 হবে, তা নিতে সংশয় হওয়া স্বাভাবিক। যেমন- যদি বলি সুপারসিক্স ডট কম, এটা supersix.com ও হতে পারে আবার super6.com ও হতে পারে। তারপরেও যদি এমন নাম নির্বাচনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে, দুইরকম ডোমেন নেম নিয়ে রাখাটাই নিরাপদ।

    সহজে মনে রাখার মত?

    ওয়েবে লক্ষ domain আছে, তাই আপনার ডোমেইন নেম অবশ্যই আকর্ষণীয় এবং মনে রাখার মত হতে হবে। নামটি পছন্দ করার পরে বন্ধু-বান্ধব এবং পরিচিতজনদের তা শেয়ার করতে পারেন। এতে নামটি কতটা অর্থবোধক বা আকর্ষণীয়, সেই সম্পর্কে একটা ধারনা পাবেন।

    বাংলা শব্দ ব্যবহার করতে পারেন

    ভাল ইংরেজি নাম খুঁজে পাওয়া এখন প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। সেক্ষেত্রে আপনি সুন্দর বাংলা অর্থবোধক শব্দ ব্যবহার করতে পারেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইটগুলোর অনেকেই বাংলা শব্দ ব্যবহার করছে। যেমন-Onlinekaj.com  bikroy.com, ajkerdeal.com, priyoshop.com whatisloved.com ইত্যাদি ইত্যাদি।

    সঠিক ডোমেইন এক্সটেনসনটি নির্বাচন করুনঃ

    আপনার ডোমেইন নাম কি ব্যবসায়িক কোন কাজের উদ্দ্যেশ্যে আপনি খুঁজছেন ? নাকি কোন সমাজ সেবা বা শিক্ষামূলক কোন ওয়েবসাইট খোলার জন্যে খুঁজছেন ?

    নিম্নে বেশকিছু জনপ্রিয় ডোমেইন এক্সটেনশন নাম দেয়া হলো –

    ► .Com

    ► .Org

    ► . Net

    ► .Gov

    ► .Edu

    ► .Info

    ব্যবসায়িক কোন প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে .com ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করে ডোমেইন নাম বাছাই করতে হবে । কোন সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে .org ডোমেইন এক্সটেনশন, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে . Net ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয় । 

    .Gov ব্যবহার করা সরকারি প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন এক্সটেনশন , আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন নামের সাথে .Edu ডোমেইন এক্সটেনশন এবং তথ্যমূলক সাইটের নাম উল্লেখ করার ক্ষেত্রে মূলত .Info ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয় ।

    যদি কোন নির্দিষ্ট দেশের মধ্যে কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার ইচ্ছে করে কোন প্রতিষ্ঠান , তবে সে ক্ষেত্রে কান্ট্রি ডোমেইন এক্সটেনশন লেভেল ব্যবহার করতে পারে । যেমন, বাংলাদেশের মধ্যে যদি কোন প্রতিষ্ঠান শুধু তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে চায় তবে বাংলাদেশের কান্ট্রি ডোমেইন এক্সটেনশন লেভেল ব্যবহার করতে পারে । উদাহরণস্বরূপ .com.bd , .org.bd , .net.bd এবং edu.bd ।

    ব্লগের জন্য হোস্টিং কিনুন ?

    আপনি যদি একটি নতুন ব্লগ শুরু করার পরিকল্পনা করে থাকেন তবে আমি আপনাকে ব্লুহোস্টে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। এটি কেবল সাশ্রয়ী মূল্যের ওয়েব হোস্টই নয় এটি ওয়ার্ডপ্রেস থেকে ওয়েব অফিসার হিসাবে গণ্য।  এটি বিশ্বব্যাপী ৪ মিলিয়নেরও বেশি ওয়েবসাইট ব্যবহার করে।

    বিশ্বাস করেন এতো ফাস্ট ওয়েবহোস্টিং যা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। যেমন ধুরুন bloggerspassion.com, Moneyconnexion.com এই ওয়েবসাইট গুলি Bluehost Hosting দাড়া পরিচালিত।
     
    আপনি চাইলে কমপায়ার করে দেখতে পারেন। 

    অন্য যেকোনো ওয়েবসাইট আর এই দুটো মধ্যে একটা একসাথে browser ওপেন করবেন তাহলে আপনি নিজেই  বুঝতে পারবেন কতো ফাস্ট লোড করে এই ওয়েবহোস্টিং।           

    শুধু তাই না ব্লুহোস্ট হোস্টি ক্রয় করলে একটি বিনামূল্যে ডোমেইন নাম পেতে পারেন এখানে।

    তাহলে আর দেরি না করে দেখে নিন কিভাবে Bluehost ওয়েবসাইট থেকে একটি ডোমেইন বা ব্লগ হোস্টিং ক্রয় করবেন।  

    1. ব্লুহোস্ট দিয়ে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ শুরু করুন?

    ব্লুহোস্ট দিয়ে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ শুরু করুন?

    2. আপনার পছন্দের হোস্টিং পরিকল্পনা নির্বাচন করুনঃ

    2. আপনার পছন্দের হোস্টিং পরিকল্পনা নির্বাচন করুনঃ
    উপরে দেওয়া ছবি হিসাবে আপনার প্রয়োজনের ভিত্তিতে Basic,Plus এবং 'Basic Plus' থেকে হোস্টিং যেকোন একটি পরিকল্পনাটি বাচায় করুন যেটা আপনার সাধ্যর মধ্যে পরে। বা আপনার যেটুকু বাজেট সেই অনুযায়ী হোস্টিং Plan পছন্দ করুন।  

    ৩. আপনার পছন্দমত ডোমেন নাম লিখুন?

    ৩. আপনার পছন্দমত ডোমেন নাম লিখুন (আপনি ব্লুহোস্ট সহ এক বছরের জন্য একটি বিনামূল্যে ডোমেন পাবেন)

    উপরে আমি আগেই বলেছি, এমন কোনও ডোমেন নাম বেছে নেওয়ার চেষ্টা করুন যা পড়া, টাইপ এবং মনে রাখা সহজ।

    ৪. আপনার অ্যাকাউন্টের ফরম পুড়ুন করুন।  

    আপনার অ্যাকাউন্টের ফরম পুড়ুন করুন
    এখানে আপনার অ্যাকাউন্টের ফুল ফরম পুড়ুন করতে হবে এবং পুরা ফরম পুড়ুন হলে ব্লুহোস্ট থেকে হোস্টিং কিনতে "Next" ক্লিক করতে হবে।

    শুধুমাএ Onlinekaj.com ওয়েবসাইটের  পাঠকদের জন্য এখানে ব্লুহোস্ট  মূল্যের ছাড় পাবেন যেমন ধরুনঃ-
    💸36 Months: $2.95/Month
    💸24 Months: $3.95/Month
    💸12 Months: $4.95/Month
    শুধুমাএ Onlinekaj.com ওয়েবসাইটের  পাঠকদের জন্য এখানে ব্লুহোস্ট  মূল্যের ছাড় পাবেন যেমন ধরুনঃ-

    5. একটি সুরক্ষিত পাসওয়ার্ড এবং লগইন করুনঃ

    আপনার পাসওয়ার্ডটি সহজেই হ্যাক না হয় এমন একটি শক্তিশালী এবং সুরক্ষিত পাসওয়ার্ড পছন্দ করুন যাতে বর্ণমালা (abc), সংখ্যা(123) এবং চিহ্ন(%&$) রয়েছে।

    একটি সুরক্ষিত পাসওয়ার্ড এবং লগইন করুনঃ
    এমন একটি পাসওয়ার্ড পছন্দ করুন যেটা আপনার সহজে মনে থাকে মনে রাখবেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বিপদ। বন্ধুরা পাসওয়ার্ড সেট-আপ হওয়ার পর আপনারা এই রকম এন্টার-ফেজ দেখতে পাবেন নিচে ছবিতে লক্ষ করুন। 

    WordPress ওয়েবসাইট তৈরি” জন্য আমার এতক্ষণ হোস্টিং ডেমেইন কিনলাম এখন পরে ধাপে এগিয়ে যায়।বন্ধুরা হোস্টিং এবং ডোমেইন কিনা নিয়ে কারো  যদি কোন সমস্যা থাকে বা কোন বিষয়  বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে আমার সাথে Contact Form এ  যোগাযোগ করতে পারেন.

    Step 2. আপনার ব্লগটি সুন্দর করে ডিজাইন করুন।

    আপনার ব্লগটি সুন্দর করে ডিজাইন করুন
    উপরে আপনি “একটি ব্লগ তৈরি জন্য” ডোমেইন এবং হোস্টি কিনলেন। এখন আপনি সেই ব্লগটি  সেট আপ করবেন তার জন্য আপনি আপনার ব্লগ একটি নির্দিষ্ট চেহারা এবং লুকিং দেবেন যেমন আমার ব্লগটার মতো আরকি?     

    লক্ষ্য করুন যে প্রতিটি ব্লগে ওয়ার্ডপ্রেসে ইন্সটল করা হলেও ব্লগের একটা আলাদা লুকিং চলে আসে বা পরিপুষ্ট ব্লগে পরিচয় পায়। আর এই সুন্দর লুক টা আসে যখন কোন ওয়েবসাইট Wordpress  ইন্সটল করা হয় তখন। 
     
    আপনার ওয়েবসাইট ডিজাইনটি সম্পুর্ন আপনার উপর নির্ভর করে আপনি আপনার ওয়েবসাইট কে কিভাবে প্রজেন্ট করবেন বা আপনার পছন্দের রুচির উপর সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আপনার ব্র্যান্ডটিকে আপনি  কিভাবে উপস্থাপন করবেন আপনার উপর।এজন্য আপনাকে অবশ্যই একটি প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস থিম চয়ন করতে হবে...!

    ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করুন:-

    ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করুন:-
    ওয়ার্ডপ্রেস এর পাঁচ মিনিটের ইনস্টলেশন প্রক্রিয়ার জন্য বিখ্যাত যাতে কিছু ম্যানুয়াল কাজও করতে হয়। তবে যদি, আপনি আমার কথামত হোস্টিং পছন্দ করে থাকেন, তবে আপনি এক ক্লিকে ইন্সটল করা যায়, এমন হোস্টই বেছে নিয়েছেন। প্রক্রিয়াটি তুলনামূলকভাবে একইরকম:
    • আপনার cPanel এ লগইন করুন। হোস্টিংয়ের জন্য সাইন আপ করার পর, হোস্টিং কোম্পানি আপনাকে আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড সহ সিপ্যানেল অ্যাক্সেস করার জন্য নির্দিষ্ট লিঙ্কসহ একটি ইমেল পাঠাবে।
    • একটি ওয়েবসাইট ইনস্টলার,যেমন ফ্যান্টাস্টিকো ইনস্টলার বা সফটাকাসল ইনস্টলার খুঁজে বের করুন, এবং ওয়ার্ডপ্রেস-এ ক্লিক করুন, এবং তারপর ইনস্টল বোতামটিতে ক্লিক করুন। আপনাকে ব্যবহারকারী নাম বা ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড প্রদান করতে বলা হবে এবং যে ডোমেইনে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করবেন তা নির্বাচন করতে বলা হবে।
    • ইনস্টলেশনের প্রক্রিয়াটি শেষ করার জন্য আরও একবার ইনস্টল বোতামে ক্লিক করুন।
    ইনস্টলেশনের প্রক্রিয়াটি শেষ করার জন্য আরও একবার ইনস্টল বোতামে ক্লিক করুন।
    ইনস্টলেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে, আপনাকে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ডের লিঙ্ক দেওয়া হবে।এটাকে অনেকটা এরকম দেখাবে:

    http://www.yoursite.com/wp-admin
    অগ্রসর হউন এবং পরিচালনা করুন, তারপর আপনার এইমাত্র তৈরি করা ওয়েবসাইটে ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করুন।

    আপনার ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচন করুন:-

    ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করার পর, আপনি প্রথম ধাপে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটের জন্য একটি উপযুক্ত থিম নির্বাচন করুন।ওয়ার্ডপ্রেসের জন্য বিনামূল্যে এবং প্রিমিয়াম উভয় ক্যাটাগরিতেই প্রচুর থিম খুঁজে পাবেন।

    আপনি হয়তোবা একটি বিনামূল্যের থিম নির্বাচন করতে প্রলুব্ধ হতে পারেন, কিন্তু আপনি যদি নিজেকে একটু আলাদাভাবে উপস্থাপন করতে চান এবং পেশাদারভাবে নিজেকে মেলে ধরতে চান তাহলে লেখকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি কিছু ওয়ার্ডপ্রেস থিম থেকে পছন্দমাফিক বেছে নিতে পারেন।
    আপনার ওয়ার্ডপ্রেস থিম নির্বাচন করুন:-
    লেখকদের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস থিমে আপনার লেখক পোর্টফোলিও তৈরি করতে প্রয়োজনীয় সব বৈশিষ্ট্য থাকবে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে:
    • প্রতিক্রিয়াশীল ডিজাইন - আজকের যুগে আনলিমিটেড ডিজাইন একটি প্রয়োজনীয়তা যেখানে আরও বেশি লোক তাদের ফোন এবং ট্যাবলেট থেকে বিভিন্ন কনটেন্ট ব্রাউজ করছেন।
    • পোর্টফোলিও সাপোর্ট - আপনার লেখক ওয়েবসাইটের পুরো পয়েন্ট নতুন ক্লায়েন্টদের আকর্ষণ করার জন্য, আপনার নমুনা উপস্থাপন একটি পোর্টফোলিও একটি আবশ্যক
    • টাইপোগ্রাফি - আপনার লিখিত নমুনাগুলি কোনও ব্যাপার বা ব্যাপার না, আপনার দর্শকরা যে কোন ডিভাইস বা ব্রাউজার ব্যবহার করছেন তা অবশ্যই লিপিবদ্ধ করা প্রয়োজন। টাইপোগ্রাফি উপর একটি শক্তিশালী ফোকাস সঙ্গে একটি ওয়েবসাইট আপনার কন্টেন্ট খুঁজে বের করতে হবে এবং প্রত্যেকের কোনো সমস্যা ছাড়াই এটি পড়তে পারেন নিশ্চিত।
    • কাস্টমাইজেশন অপশন - আপনি একটি থিমের সন্ধান করতে হবে যা আপনাকে রঙিন স্কিমকে জোর করে দেয় এবং অন্তত আপনার নিজস্ব লোগো আপলোড করে যাতে আপনি নিজের জন্য একটি ব্র্যান্ড স্থাপন করতে শুরু করতে পারেন।
    একটি প্রিমিয়াম থিম কিনতে শ্রেষ্ঠ জায়গা এক ওয়ার্ডপ্রেস লেখক থিম একটি বড় নির্বাচন আছে যা ThemeForest। এর উপরে, সমস্ত থিমগুলি থিম লেখকগুলির ছয় মাসের সমর্থন সহ Envato Market লেখকদের কাছ থেকে বিস্তৃত ডকুমেন্টেশন এবং মান নিয়ন্ত্রণ অন্তর্ভুক্ত।

    সেরা বিক্রিত লেখক থিমগুলির মধ্যে একটি হল লেখক ও সাংবাদিকদের জন্য WP ব্লগ যা শুধুমাত্র প্রতিক্রিয়াশীল নয় তবে এটি আপনার লেখা নমুনার প্রদর্শন করার জন্য একটি সুন্দর পোর্টফোলিও রয়েছে।

    Step 3. Unique পোস্ট পাবলিশ করুন।

    আপনি যে ওয়া্র্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে পোস্ট লিখবেন বা লিখতে চাচ্ছেন। তার আগে আপনাকে এই ওয়েবসাইটির এডমিন প্যানেলে লগইন করতে হবে। এডমিন প্যানেলে লগইন করার পর একটি Dashboard ওপেন হবে। নিচের ছবিটিতে লক্ষ করুন।
    পোস্ট পাবলিশ

    WordPress এ পোস্ট লেখার জন্য ছবিটির উপরের অংশে বাম দিকে লাল মার্ক করা একটি Posts লেখা অপশন দেওয়া আছে,  ক্লিক করুন। Posts এ ক্লিক করার পর নিচের দিকে কিছু অপশন বের হবে, সেখানে থেকে লাল মার্ক করা Add New লেখা অপশনে ক্লিক করুন। 

    Add New লেখাই ক্লিক করলে নতুন  একটি পেজ ওপেন হবে । সেই নতুন পেজে আপনাকে পোস্ট টাইটেল, পোস্ট, ইমেজ সহ পোস্ট তৈরি করা যায় যেখানে আপনারা পাবেন একটি পোস্ট বা পেজ এডিটর।

    বিঃদ্রঃ- মাঝে মাঝে আপনার ক্ষেত্রে ছবিটির বাম পাশে এই ধরনের অপশন নাও আসতে পারে। সেক্ষত্রে ছবিটির নিচের অংশে লাল মার্ক করা প্লে আইকন কিংবা Collapse Menu লেখা অপশন থাকতে পারে। নিচের ছবিতে লক্ষ করুন।

    কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস পোস্ট লিখবেনঃ

    কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস পোস্ট লিখবেনঃ


    ছবিটির উপরের অংশে আপনি যে ধরনের পোস্ট তৈরি করবেন তার উপর নির্ভর করে টাইটেল দিতে হবে Enter title here এর ঘরে। পোস্ট টাইটেল যতটা সম্ভব বিষয় ভিত্তিক করুন, এতে করে আপনার পোস্ট টি SEO Friendly হবে। পোস্ট টাইটেল দেওয়ার পর নিচের অংশে আপনি আপনার পোস্ট টি লিখুন ।

    এবার পোস্ট টাইটেল এর নিচের ঘরে তুলে ধরুন আপনার বক্তব্য কম পক্ষে 300 ওয়ার্ড এর মধ্যে । তাতে করে আপনার পোস্ট টি ভালো করে বর্ননা করা সহজ হবে এবং খেয়াল রাখবেন যেনো প্যারাগ্রাফ গুলো ৪ লাইনের বেশি বড় না হয়। তা না হলে পড়তে অসুবিধা হয় । 

    সম্ভব হলে পোস্টে যোগ করুন সাব-টাইটেল।পোস্টকে সুন্দর ভাবে তৈরি করতে আমরা ইমেজও অ্যাড করতে পারি। নিচের অংশে দেখে নেই, পোস্টে কিভাবে ইমেজ অ্যাড করা যায়।

    ওয়ার্ডপ্রেস পোস্ট এ ছবি যোগ করা:

    যে কোন লিখার মাঝে বিষয় ভিত্তিক ছবি বা ইমেজ যোগ করলে সেই লিখার গ্রহন যোগ্যতা অনেক বেড়ে যায় । নিচের ছবিটি দেখুন, শুরুতেই আমরা Add Media মার্ক করে রেখেছি ।
    Add Media -তে ক্লি করলে দেখবেন আপনার সমানে আর একটি অংশ চলে এসেছে
    Add Media -তে ক্লি করলে দেখবেন আপনার সমানে আর একটি অংশ চলে এসেছে, যেখাবে যদি আগে থেকে কোন ইমেজ আপনার সাইটে থাকে, তার লিস্ট দেখাবে। এবার যদি মনে করেন যে এই লিস্টেরই কোন ইমেজ নিবেন, তাহলে তার উপর একবার ক্লিক করে ডান দিকে নিচে দেখুন, আছে Insert Into Post নামে একটি বাটন, সেখানে ক্লিক করুন ।
    আর যদি হয় যে আপনি নতুন ইমেজ আপলোড করবেন, দেখুন Upload Image নামে একটি ট্যাব আছে, ক্লিক করুন।দেখবেন যে আপনার সামনে যে ট্যাবটি ওপেন হয়েছে তাতে লেখা রয়েছে Drop files anywhere to upload  or Select Files আছে। আপনি চাইলে যে ইমেজটি আপলোড করতে চাচ্ছেন, সেটি টেনে এনে এর উপর ছেড়ে দিতে পারেন। অথবা ক্লিক করুন Select FIles এ এবং দেখিয়ে দিন কোন ছবিটি আপলোড করতে চাচ্ছেন ।  ছবি আপলোড হয়ে গেলে দেখবেন যে Media Library তে ই ওপেন হয়েছে। নতুন ইমেজের ক্ষেত্রে ডান পাসের অপশন থেকে ইমেজের Title, Caption, Alt Text দিয়ে দিন। ডান পাসের Scroll Bar টি একটু ওঠা নামা করলে দেখবেন আরো অপশন আছে। চাইলে সেগুলোও এডিট করে নিতে পারেন । সব শেষে Insert into Post এ ক্লিক করলে যেখানে কারসর ছিলো সেখানে কিছুক্ষনের মধ্যেই ইমেজ টি এড হয়ে যাবে ।


    আর যদি হয় যে আপনি নতুন ইমেজ আপলোড করবেন, দেখুন Upload Image নামে একটি ট্যাব আছে, ক্লিক করুন।দেখবেন যে আপনার সামনে যে ট্যাবটি ওপেন হয়েছে তাতে লেখা রয়েছে Drop files anywhere to upload  or Select Files আছে। আপনি চাইলে যে ইমেজটি আপলোড করতে চাচ্ছেন, সেটি টেনে এনে এর উপর ছেড়ে দিতে পারেন। অথবা ক্লিক করুন Select FIles এ এবং দেখিয়ে দিন কোন ছবিটি আপলোড করতে চাচ্ছেন ।

    ছবি আপলোড হয়ে গেলে দেখবেন যে Media Library তে ই ওপেন হয়েছে। নতুন ইমেজের ক্ষেত্রে ডান পাসের অপশন থেকে ইমেজের Title, Caption, Alt Text দিয়ে দিন। ডান পাসের Scroll Bar টি একটু ওঠা নামা করলে দেখবেন আরো অপশন আছে। চাইলে সেগুলোও এডিট করে নিতে পারেন । সব শেষে Insert into Post এ ক্লিক করলে যেখানে কারসর ছিলো সেখানে কিছুক্ষনের মধ্যেই ইমেজ টি এড হয়ে যাবে ।

    ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ পোস্ট পাবলিশ:

    নিচের যে ইমেজটি দেখতে পাচ্ছেন সেটির অবস্থান সাধারনত পোস্ট এডিটর এর ডান পাশে হয়ে থাকে। তবে কখনও কখনও এটি নিচেও থাকতে পারে সেটিংস এর উপর নির্ভর করে। এবার একে নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক।
    • Save Draft  বাটন টি আছে বাম পাসে উপরে এবং এর কাজ হচ্ছে , ধরুন আপনার পোস্ট টি পুরো লিখা হয়নি,পরে কিংবা কাল আবার এডিট করবেন, সেক্ষেত্রে Save Draft বাটনে ক্লিক করুন ।
    • Preview বাটন টি আছে ডান পাশে এবং এর কাজ হচ্ছে আপনার পোস্ট পাবলিশ করার আগেই দেখতে ইচ্ছে করলো দেখতে কেমন হবে, ক্লিক করুন Preview বাটনে, পেয়ে যাবেন প্রিভিউ। নরমালি এটি নতুন একটি ট্যাব ওপেন করে ওপেন হবার কথা ওয়েব ব্রাউজারে, তবে এর উপর রাইট ক্লিক করে Open in New Tab এ ক্লিক করাই ভালো ।
    • Publish বাটন টি আছে ডান পাশে নিচে এবং এর কাজ হচ্ছে কোন পোস্ট কে ফাইনালি সবার জন্য ওপেন করে দেয়া বা পাবলিশ করা। এই্ বাটনে একবার ক্লিক করা মানে পোস্ট টি এবার আপনার সাইটে চলে এলো এবং পাবলিশ হবার পর এই বাটন টি হয়ে যায় Update বাটন। ধরুন একটি পোস্ট পাবলিশ হবার পর দেখা গেলো কিছু বানান ভুল ছিলো। তখন সেগুলো ঠিক করে Update বাটনে ক্লিক করতে হয়।

    বেসিক  গুরুত্বপূর্ণ পেজ:-

    এই পেজ যা প্রায় প্রতিটি ব্লগে অবশ্যই থাকা উচিত। আমাদের সম্পর্কে একটি বাধ্যবাধকতা পেজ লিখতে হবে (আমার এখানে দেখুন) যা আপনার ব্লগ, দলের সদস্যদের, দর্শকদের কী আশা করতে পারে ইত্যাদি উদ্দেশ্য নিয়ে থাকবে ;

    Step 4.ব্লগে SEO এবং Analytics সেটআপ করুন।

    ব্লগে SEO এবং Analytics সেটআপ করুন।
    এখন পরবর্তী এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপটি সার্চ ইঞ্জিনগুলির জন্য আপনার ব্লগটিকে অপ্টিমাইজ করা।এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ সার্চ ইঞ্জিনগুলি হ'ল যা আপনার ব্লগে Organic ট্রাফিককে চালিত করবে।আপনার ব্লগ সার্চ ইঞ্জিনটিকে অনুকূলিত করতে আপনার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি এখানে দেওয়া হল।

    কি হবে ব্লগে SEO করে ?

    এবং, বিশেষজ্ঞরা ব্লগিং এর ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (Search engine optimization) প্রক্রিয়া গুলিতে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ কেনো দেন ?এই প্রশ্ন গুলি আজ প্রত্যেক নতুন ব্লগার এর মনে অবশই রয়েছে।দেখুন বন্ধুরা, প্রত্যেক ব্লগার এর ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (SEO) করার একটাই উদ্দেশ্য থাকছে।

    সেটা হলো, Google search engine এ, নিজেদের ওয়েবসাইটের সার্চ র্যাংকিং (ranking) উন্নত (improve) করা।এবং যার ফলে, ওয়েবসাইটে গুগল সার্চ থেকে প্রচুর ফ্রি organic traffic পাওয়ার অধিক বেশি সুযোগ হয়ে দাঁড়াবে। তবে মনে রাখবেন, SEO র সংজ্ঞার্থ (definition) কিছু বছর আগে অন্য ছিল।

    তখনের সময়ে, SEO বলতে ব্লগে ও ব্লগের আর্টিকেলে কেবল keyword optimization করাটাকেই বোঝানো হতো।

    এমনিতে, কিছু পরিমানের keyword optimization প্রক্রিয়া এখনো SEO র ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে।যদিও, বর্তমানের SEO চর্চার (practices) ক্ষেত্রে, কেবল কীওয়ার্ড অপ্টিমাইজেশন প্রক্রিয়ার ব্যবহার করেই, গুগল সার্চে ওয়েবসাইট র্যাংক (rank) করাতে পারবেননা।আর তাই, বর্তমানের আধুনিক এসইও চর্চার প্রক্রিয়া গুলির মধ্যে বিভিন্ন অন্যান্য বিষয় বস্তু রয়েছে, যেগুলি জেনে নেওয়াটা অনেক বেশি জরুরি।


    ওয়ার্ডপ্রেস এসইও প্লাগইন ইনস্টল করুন:

    ওয়ার্ডপ্রেস এসইও প্লাগইন সর্বাধিক ব্যবহৃত প্লাগইন যা আপনার পোস্টগুলি এসইও-অপ্টিমাইজড রয়েছে তা নিশ্চিত করবে, অনুসন্ধান স্নিপেটগুলি সেট আপ করতে এবং আপনার ব্লগের জন্য একটি সাইটম্যাপ তৈরি করবে। এই সব বিনামূল্যে।

    Yoast SEO (যার পূর্বের নাম ছিল WordPress SEO by Yoast), এটি বর্তমানে সব WordPress.org ব্যবহারকারীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ SEO Plugin।এটি একটি স্নিপেট এবং রিয়েল টাইম পেজ ফাংশনালিটি নিয়ে তৈরি, যা একজন ইউজারকে একই সঙ্গে পেজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেমন : টাইটেল, পারমালিংক, ইমেজ, মেটা ট্যাগ ও কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করতে সাহায্য করে।

    Yoast SEO Premium Pluginটি আপনাকে আরো কিছু Advanced ফিচার এবং Premium Access এর সুবিধা দিয়ে থাকে।

        একটি রিডিরেক্ট ম্যানেজার
        অনেকগুলো ফোকাস কি-ওয়ার্ড
        প্রিমিয়াম সাপোর্ট
    নিচে Yoast SEO-এর সকল Plugin-এর একটি তালিকা দেওয়া হলো
    ওপরের প্রতিটি প্লাগইনের ব্যবহার মূলত নির্ভর করছে আপনার ওয়েবসাইটের ক্যাটাগরি কী, সেটার ওপর ভিত্তি করে। যেমন আপনার সাইটটি যদি হয় একটি News Portal, তাহলে Yoast-এর News SEO প্লাগইন ব্যবহার করাই আপনার জন্য ভালো হবে।

    গুগল অ্যানালিটিক্স কোড যুক্ত করুন:

    গুগল অ্যানালিটিক্স কোড যুক্ত করুন:

    গুগল অ্যানালিটিক্স কোডটি আপনার ব্লগের আত্মার মতো। এটি আপনাকে আপনার পৃষ্ঠা দর্শন, যে কোনও সময়ে অনন্য দর্শকদের ট্র্যাক করতে সহায়তা করে। এর থেকেও অনেক বেশি, এটি আপনাকে জানায় যে কোন পৃষ্ঠাগুলি সর্বাধিক ট্র্যাফিক পাবে, কী কীওয়ার্ডগুলি আপনাকে ট্র্যাফিক এবং আপনার দর্শকদের যেমন ডেমোগ্রাফিক্স, আপনার ব্লগ অ্যাক্সেস করতে ব্যবহৃত ডিভাইস এবং আগ্রহগুলি ইত্যাদির জন্য একটি হ্যাক বোঝা ডেটা নিয়ে আসে etc.
    গুগল সার্চ কনসোল
    গুগল সার্চ কনসোল এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি নিজের সাইট পরিচালনা করতে পারবেন, যে সাইটলিঙ্কগুলি আপনি উপস্থিত হতে চান, খারাপ ব্যাকলিংকগুলি অস্বীকার করুন ইত্যাদি আপনি এখানে নিজের সাইটম্যাপ গুগলে জমা দিতে পারেন। আরও জানতে এখানে ক্লিক করুন।

    বর্তমান বিশ্বে গুগল বা গুগল সার্চ ইঞ্জিন চিনে না এমন লোক খুব কম আছে। বিশেষ করে যারা অনলাইন ব্লগিং এর সাথে জড়িত আছে তারা গুগলকে গুরু হিসেবে মান্য করে। কারণ যারা ব্লগিং করে তারা গুগল হতে পর্যাপ্ত ভিজিটর পাওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যান। একজন ব্লগার গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ট্রাফিক সংগ্রহ করতে সমর্থ হলে তার ব্লগের সফলতা কেউ থামিয়ে রাখতে পারবে না। 

    তাছাড়া একজন অনলাইন কনটেন্ট রাইটার তখনই নিজেকে সার্থক মনে করেন যখন তার ব্লগে গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর পেতে সমর্থ হন। আপনি ফেইসবুক, টুইটার ও ইউটিউব সহ অন্যান্য মাধ্যম হতে যতই ট্রাফিক পান না কেন সেটা সার্চ ইঞ্জিন হতে প্রাপ্ত ট্রাফিক এর গুরুত্বের সমান কখনো হতে পারবে না। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে প্রাপ্ত ট্রাফিক এর অনেক গুরুত্ব রয়েছে।

    গুগল সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিজিটর পাওয়ার জন্য প্রথমেই আপনার ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইট যেটিই হক না কেন সেটিকে Google Search Console (পূর্বের Google Webmaster Tools) এ সাবমিট করতে হবে। একটি ব্লগ কিভাবে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হয় সেটি নিয়ে আমরা প্রায় তিন বৎসর আগে একটি পোস্ট আমাদের ব্লগে শেয়ার করেছিলাম।

    সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে পেজ তৈরি করুন:

    sciola midua

    এটি আপনার ব্র্যান্ডের উপস্থিতি তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় এবং এটি আপনার ডোমেনকে কিছু বিশ্বাস সংকেত দেবে। Pinterest আপনাকে আপনার ডোমেনের মালিকানা যাচাই করতে বলছে যা ইয়োস্টের সাথে সহজেই করা যায়।আপনার ওয়েবসাইটটি খুব দ্রুত প্রসার করতে সোশ্যাল মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
    অবশ্যই পড়ুন-

    Step 5: ট্র্যাফিক পেতে আপনার ওয়েবসাইট প্রচার করুন।

    আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একবার একটি নতুন ব্লগ চালু করার পরে, এতে পোস্ট বা অার্টিকেল এবং ভিডিও পোস্ট করার পর একটা নতুন ব্লগ Rank করতে অনেক সময় নেয়।     

    প্রাথমিকভাবে, সার্চ ইঞ্জিনগুলি আপনাকে কোনও ট্র্যাফিক প্রেরণ করবে না। এই সময় আপনার ব্লগ Google মামুর কাছে রান্কং করার জন্য আপনাকে বিগ্গাপন চালাতে হবে। 

    Organic ট্রাফিক পেতে বা আপনার ওয়েবসাইট গুগল রানক্ক করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। আপনার নতুন ব্লগে প্রাথমিক ট্র্যাফিক পাওয়ার কিছু উপায় এখানে রইল:

    #.Write Guest Posts:

    ব্লগের  জন্য প্রাথমিক ট্র্যাফিক পাওয়ার জন্য অতিথি পোস্ট বা Guest post একটি খুব ভাল উপায়। আপনার নিস সম্পর্কিত অন্যান্য ব্লগগুলির সাথে সম্পর্ক তৈরি করে এবং আপনার অতিথির পোস্টগুলিকে পিস করে আপনি আপনার ওয়েবসাইট জন্য গেস্ট পোস্ট করতে পারেন। 

    একটি ব্লগে গেস্ট পোস্ট এতোটা ভুমিকা পালন করে রান্কের জন্য যা আমি আপনাদের বুঝাতে পারনা। আমার এই ওয়েবসাইট ব্যকলিংক চেক করলে আপনারা শুধু গেস্ট পোস্ট করা ব্যাকলিংক দেখতে পারবেন।                   

    বেশিরভাগ ব্লগ আপনার নতুন ব্লগের জন্য ব্যাকলিঙ্কগুলিকে অনুমতি দেয় না তবে আপনি শীঘ্রই আপনার বা আপনার লেখকের বায়োতে হোমপৃষ্ঠায় একটি লিঙ্ক যুক্ত করেতে পারেন। 

    গেস্ট একটি নতুন ব্লগিংর আনুষ্ঠানিকভাবে আপনার ব্লগটি চালু করার আগেই আপনাকে প্রচুর সংখ্যক প্রাথমিক দর্শক এবং গ্রাহক নিয়ে দেবে। 

    জোন মোরও এখনকার কর্তৃপক্ষের ব্লগ স্মার্টব্লগার.কম চালু করার আগে 13,000 এর বেশি গ্রাহক পেতে একই নীতিটি ব্যবহার করেছিলেন। একইভাবে, বাফারের লিও উইডরিচ কেবলমাত্র অতিথি পোস্ট করেই তার 9 মাস বয়সী ব্লগে 100,000 দর্শকদের পেয়েছিলেন।

    আমার শেষ কথাঃ

    আজকে আমরা জানলাম কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করতে হয়।
    তারপর যদি কোনো রকম সমস্যা থাকে তাহলে আমার সাথে Contact করতে পারেন।

    হোস্টিং এবং ডোমেইন কিনা নিয়ে যদি কোনো কনফিউশন থাকে তাহলে নিচে দেওয়া Chat Live ক্লিক করে আমার সাথে সরাসরি কথা বলতে পারেন।আমার রেফারেন্স হোস্টিং কিনলে ৩৪% ছাড় পাবেন পোস্টটি দ্বারা আপনি যদি উপকৃত হন তাহলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
    Guys, If You Need Font Copy And Paste For Instagram ,Twitter ,Fb Like Other Social Media So Click Here this Link.

    By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

    Post a Comment

    By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

    Post a Comment (0)

    Previous Post Next Post