নিজেকে সব জায়গায় উপযুক্ত বানানোর ৪ টি উপায় (মোটিভেশনাল)

প্রশ্নটা অনেকটা এরকম যে “নিজেকে কীভাবে সমস্ত জায়গায় উপযুক্ত বানানো যায়” অথবা এরকমভাবে বলা চলে যে নিজেকে কীভাবে perfect বানানো যায়।

আজ আমরা এই প্রশ্নটার গভীরে যাবো এবং গোরা থেকে solve করবার চেষ্টা করবো এবং সবার আগে বলে রাখা ভালো এই পোস্ট টা কাদের জন্য বিশেষ করে যারা স্কুল এবং কলেজের শিক্ষার্থী এবং যারা এই মুহুর্তে নিজেদের জীবনকে আরো better জায়গায় নিয়ে যেতে চায়, একটা কোনো ভালো কাজের সাথে যুক্ত হতে চায়।

নিজেকে উপযুক্ত বানানোর ৪ টি উপায়? 

নিজেকে সব জায়গায় উপযুক্ত বানানোর ৪ টি উপায়(মোটিভেশনাল)

নিজেদেরকে আরো বেশি  উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে চায় তাদের জন্য। যারা কোনো কাজ-কর্মের সাথে যুক্ত রয়েছেন চাকরি বা ব্যবসা এবং সেই কাজের জন্য তারা নিজেকে সময় দেওয়ার একদমই সময় পায় না তাদের জন্য এবং যারা কোনো কাজ করেন না যারা একদম বেকার যারা শুয়ে শুয়ে টাকা রোজগার করার কথা ভাবেন যারা শুয়ে শুয়ে জীবনে অনেক বড় কিছু করার কথা ভাবেন তাদের জন্য এই পোস্টটা তাদের জন্য একদমই নয়।

অবশ্যই পড়ুন-

আমি প্রত্যেককে strongly recommend করবো এই পোস্টটা শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য এবং এখান থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের personality development সিরিজ যেটা আমাদের স্কুল এবং কলেজে শেখানো হয় না। 

এবং যেহেতু শেখানো হয় না সেই জন্য আমরা জীবনে সমস্ত জায়গায় পিছিয়ে পরি, সেই জন্য আমরা কোনো interview তে গিয়ে অথবা নতুন কোনো মানুষের সাথে আমাদের আলাপ হয় তখন ঠিক একটা সরোগরো হয়ে উঠতে পারি না। 

Life এ যখন কোনো problem আছে আমরা বুঝতে পারি না "How to did with the problem ". Because আমাদেরকে ছোটবেলায় আমাদের নিজেদের personality কে কীভাবে develop করা উচিত সেটা শেখানো হয়। 

পোস্টটা শুরু করার আগেই বলে রাখি এই একটা পোস্টে তুমি সমস্ত উত্তর পাবে না। যেহেতু এটা একটা সিরিজ এবং এটা প্রথম এপিসোড এবং একটা একটা করে এপিসোড বাড়বে এবং তুমি একটা একটা করে solution পাবে।

১.শিক্ষা গ্রহণঃ

মানুষ জীবনে দুইভাবে শিখে। এক দেখিয়ে শিখে আর এক ঠেকিয়ে শিখে। ঠেকিয়ে শেখা মানে কী? ঠেকিয়ে শেখা মানে তুমি কোনো  একটা কাজ করতে গেছো এবং সেখানে তুমি একটা ভুল করেছো এবং সেই ভুল টা থেকে তুমি একটা experience gather করেছো এবং পরবর্তীকালে তুমি আর সেই ভুলটা repaid করছো না। কিন্তু ব্যাপার হলো আমাদের এই জীবনটা তো আর  ২০০ - ৩০০ বছরের নয় আমাদের জীবনটা on of average ৬০ বছরের একটা জীবন।

নিজেকে সব জায়গায় উপযুক্ত বানানোর উপায়

মানে খুব অল্প একটা সময় এবং এই অল্প একটা সময়ের মধ্যে যদি আমরা বারবার ভুল করেই শিখতে থাকি তাহলে আমরা জীবনটাকে উপভোগ করবো কখন। 

বুড়ো বয়সে গিয়ে কী এটা বলবো যে আমি সারাজীবন শুধু  ভুল করেছি আর শিখেছি।  No,আমি তোমাদের বলবো যে দেখিয়ে শিখো বেশি ঠেকিয়ে শিখো কম। জীবনে অনেক বেশি দেখিয়ে শিখতে হবে। 

Senior রা কী ভুল করছে, বন্ধু - বান্ধব কী ভুল করছে, লোকজন কী ভুল করছে সেই ভুলগুলোকে দেখো এবং শিখে নাও এবং don’t repaid. "Don’t repaid dose mistake " don’t repaid. তারা যে ভুল টা করছে সেই ভুলটাকে তুমি তোমার life এ repaid করো না।

 

দেখিয়ে শিখো অনেক জীবন অনেক ছোট। ঠেকে শিখতে শিখতে সারাজীবন শুধুমাএ দেখবে শেষে গিয়ে সারাজীবনের accounting শুধু ভুল ভুল ভুল হয়েছে। জীবনে বেশি ভুল করার তেমন সুযোগ নেই কারণ জীবন খুব ছোট। 

(দেখো তুমি যদি নিজেকে perfect বানাতে চাও উপযুক্ত করতে চাও সমস্ত জায়গায়) তাহলে সবার আগে এই বিষয়টাকে বুঝতে হবে যে নিজেকে perfect বানানো উপযুক্ত বানানো এটা physical level এর ওপর depend করে না। 

যেমন, আমি একটা জামা পরলাম আমাকে habby লাগছে দেখতে আমি perfect হয়ে গেছি বা আমি একটা চশমা পরেছি আমাকে দেখতে habby লাগছে আমি ভাবলাম আমাকে perfect লাগছে, চশমাটা পরেই যে perfect হয়ে যাবো এটা কিন্তু নয়। 

ব্যাপারটা হচ্ছে এরকম যে perfection ব্যাপারটা পুরোটাই  depends করছে তোমার understanding level এর ওপর।একটা ভিডিও দেখলে  তারপর এতোদিন imperfect ছিলে আর আজকে  perfect হয়ে গেছো এতা কিন্তু possible না।

এগুলো বাজে কথা এগুলো ফালতু কথা একটা ভিডিও বানিয়ে যদি আমি বলে দিলাম এই ভিডিওর সব কয়টা tips follow করলে তুমি perfect হয়ে যাবে এগুলো ভুয়া কথা। এট understanding level এর ওপরে নির্ভর করে। তো এই understanding level এ আমরা যখন কথা বলছি তখন আমাদেরকে বুঝতে হবে সবার আগে এটা যে we have to be caring।

নিজে “নিজেকে উপযুক্ত বানানোর সবার আগে যদি কোনো একটা steps নিতে হয় তাহলে সেটা হলো নিজেকে অনেক বেশি caring করতে হবে”। Caring কথাটার অর্থ যত্নশীল। 

এবার তোমাদের জিজ্ঞাসা হলো কীসের ওপর caring নিজেকে care করো। তারপর এই দুনিয়াকে care করবে। সবার আগে নিজেকে care করো তরপর নিজের family কে care করো। caring attitude তা যখন তোমার মধ্যে জন্মাবে তখন তুমি নিজেই ধীরে ধীরে perfection এর পথে যাবে। 

ধরো তোমার mind  সবসময় distract থাকে তুমি তোমার mind এর care করো, না তার জন্য তুমি সবসময় disparate থাকো তুমি সবসময় distract থাকো। তোমার body প্রত্যেকদিন week হয়ে পরছে। তোমাকে একটু খাটতে বললে তুমি খাটতে পারছো না, বিছানায় শুয়ে সারাদিন মোবাইল ঘাটছো, তুমি তোমার  body এর care  করছো না।

তুমি তোমার physical level টা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, mintal level এবং physical level দুইটা level ই শেষ হয়ে যাচ্ছে। নিজের প্রতি caring হতে হবে সবার আগে তাহলেই তো তুমি perfection এর দিকে এগিয়ে যাবে। 

২.কনফিডেন্স/Confidence বাড়াতে হবেঃ

তোমাকে অনেক বেশি confidence হতে হবে। এখন বয়স কম এখন confidence হতে হবে। একদম ভরপুর confidence থাকতে হবে।

নিজেকে সব জায়গায় উপযুক্ত বানানোর উপায়

হ্যাঁ করতেই,  পারবো হবে আমার দ্বারা। পারবো না, হবে না, ভালো লাগে না, আমার শরীর খারাপ লাগে, মন দিতে পারি না এসব কথা অল্প বয়সে চলে না। 

সারাদিন বিছানায় বসে থাকো এসব করলে হবে না। নামতে হবে মাটিতে নামতে হবে, কাজ করতে হবে, প্রচুর জোশ  থাকতে হবে শরীরে,জোশ যখন থাকবে তখন কাজকর্ম ভালো হবে। confidence হতে হবে অনেক বেশি। 

৩.ধৈর্যশীল হতে হবেঃ

অনেক বেশি ধৈর্যশীল হতে হবে। জীবনে সবকিছু আজকে চাইলে কালকেই পেয়ে গেলে এরকমভাবে হয় না। 

অনেক বেশি ধৈর্যশীল হতে হবে। জীবনে সবকিছু আজকে চাইলে কালকেই পেয়ে গেলে এরকমভাবে হয় না।

জীবনে অনেক বেশি ধৈর্যশীল হতে হবে। Confidently কাজ করতে হবে caring with এ নিজেকে রাখতে হবে। জীবনে আজকে যেটা চাইলে কালকেই সেটা পাইলে ওটা কোনদিনও হয় না। 

যদি তোমার চলার পথের রাস্তাটা সহজ হয়ে যায়, যদি তোমার চলার পথে বাধা না থাকে, যদি তুমি খুব সহজেই সবকিছু পেয়ে যাও তাহলে বুঝতে হবে তুমি ভুল পথে  আছো। একদম ভুল পথে আছো। 


৪.অহংকার করা যাবে নাঃ

তুমি যাই হয়ে যাও না কেন নিজের মধ্যে অহংকার আনলে চলবে না। নিজেকে সবসময় নিরহংকারী রাখতে হবে। জীবনে better কিছু হইলে আর ভাবতেছো আমি কী হইলাম এসব কথা বললে চলবে না। তাহলে তুমি শেষ। আমি এটা ভালো করি ওটা ভালো করি এসব বলা বন্ধ করে দিতে হবে।

তুমি যাই হয়ে যাও না কেন নিজের মধ্যে অহংকার আনলে চলবে না। নিজেকে সবসময় নিরহংকারী রাখতে হবে। জীবনে better কিছু হইলে আর ভাবতেছো আমি কী হইলাম এসব কথা বললে চলবে না। তাহলে তুমি শেষ। আমি এটা ভালো করি ওটা ভালো করি এসব বলা বন্ধ করে দিতে হবে।

নিজের প্রশংসা কম কম শুনবে।লোকে যখনি তোমার প্রশংসা করবে সেখান থেকে দূরে সরিয়ে যাবে। নিজের প্রশংসা বেশি শুনতে নেই। নিজের প্রশংসা কেউ যদি তোমার প্রশংসা করে লজ্জা পাবে,লজ্জা পাওয়া দরকার নিজের প্রশংসা শুনে, পালিয়ে যাওয়া উচিত সেখান থেকে। 

নিজের প্রশংসা শুনলে নিজের ভেতরের সেই আত্নঅহংকার ব্যাপারটা মাথায় উঠে যায়। তো ঐ ব্যাপারটা থেকে খুব সাবধান। ঐ জায়গারা থেকে সাবধানে থাকতে হবে।

আমি আবারও বলছি এই একটা পোস্টে সব উত্তর পাবে না। কারণ এটা একটা পর্ব আকারে চলতে থাকবে। দেখো তোমার life কোনদিকে যাবে সেটা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করছে। মানে যেমন ধরো তুমি কার সাথে মিশছো, কী দেখছো, তুমি কী শুনছো, কী খাচ্ছো সবকিছুর infact তুমি কোন জায়গায় রয়েছো।

সেখানকার Environment কীরকম, সেখানে আশেপাশে কোন ধরনের লোকজন থাকে সবকিছু depend করে। (তুমি দশটা অপদার্থের সাথে মিশলে এগারো নম্বর অপদার্থটা তুমি)। (তুমি দশটা জ্ঞানী লোকের সাথে মিশলে এগারো নম্বর জ্ঞানী ব্যক্তিটা তুমি)। 

তুমি সারাদিন ধরে ভুলভাল ভিডিও দেখলে তোমার মাথার মধ্যেও সেই ভুলভাল জিনিসই চলবে।সারাদিন ধরে negative video  দেখলে তোমার মাথার মধ্যে negative জিনিস চলবে। 

সারদিন failure মানুষের সাথে থাকলে তোমারও failure আসবে জীবনে personality জীবনেও develop হবে না কারণ তুমি সুন্দর sunglass পরে সুন্দর শ্যুট, বুট পরে রাস্তায় বেরিয়ে গেলে এবং ভাবলে তোমাকে খুব smart লাগছে ওটা personality development নয়।

Personality development কথাটার অর্থ হচ্ছে তুমি ভেতর থেকে কী তৈরি হচ্ছো। তোমাকে কেউ যেকোনো জায়গায় ফেলে দিলে তুমি সে জায়গা থেকে বেরিয়ে যেতে পারবে, পাগল টাগল মানুষদের সাথে বসিয়ে দিলে কথা বললে তুমি কী কথা বলে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে পারবে I know that আমি জানি, 

আমার ভাই - বোন, বন্ধু - বান্ধব প্রত্যেকের ওপর আমার বিশ্বাস রয়েছে এবং নিজের ওপরেও রয়েছে আমি প্রত্যেক দিন নিজের পিছনে খাটি আমি চাই তোমরাও নিজের পিছনে খাটো।

আমাদের শেষ কথাঃ

বন্ধুরা, আশা করি নিজেকে উপযুক্ত বানানোর উপায় সম্পর্কে আপনি বুঝতে পারছেন, পোস্টটি ভালো লাগল বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের (অনলাইন কাজ) ওয়েবসাইট সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের সাইটটি সাবস্ক্রাইব করতে পারেন নতুন নতুন সব পোস্ট পাওয়ার জন্য ভালো থাকবেন।

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post