পড়ালেখায় ভালো করার ৭টি বৈজ্ঞানিক উপায়-মোটিভেশনাল

পড়াশোনায় ভালো করার উপায়ঃ লেখাপড়ায় কে না ভালো করতে চায়, এ বিষয়ে যে যতই টিপস শোনে তা মনে রেখে চলতে চায়।তবে যে সকল কৌশল বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ হয়েছে তা হয়তো আমাদের সবার জানা নেই যা সকলের জানা খুবই দরকার। সে বিষয়গুলো আমি আজ তোমাদের কাছে তুলে ধরবো।

পড়ালেখায় ভালো করার উপায়?

পড়াশোনায় ভালো করার উপায়ঃ লেখাপড়ায় কে না ভালো করতে চায়, এ বিষয়ে যে যতই টিপস শোনে তা মনে রেখে চলতে চায়।তবে যে সকল কৌশল বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ হয়েছে তা হয়তো আমাদের সবার জানা নেই যা সকলের জানা খুবই দরকার। সে বিষয়গুলো আমি আজ তোমাদের কাছে তুলে ধরবো।

১.পড়াশোনা প্রতি লক্ষ স্তিরঃ

প্রথমত আমাদের লক্ষ স্তির করতে হবে  এই যে আমরা এতো এতো বই পড়ছি, জানছি কেনো,কারণ তো অবশ্যই একটা থাকেই। বাবা- মা পড়তে বলছে তাই নাকি নিজের ভবিষ্যতের জন্য। যদি সেটা নিজের ভবিষ্যতের জন্য হয় তাহলে আমি বড় হয়ে কী হবো এবং এটা হওয়ার জন্য আমাকে কীভাবে পড়াশোনা করা উচিত সেই বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে।

সাথে- সাথে একটা goal setup করতে হবে।এই goal setup করার পরেই ব্রেন আমাকে force করবে এই goal এ পৌছানোর জন্য। এই goal setup লিখে নিজের চোখের সামনে টানিয়ে রাখতে হবে,তবেই "পড়াশোনায়" মন বসানো যাবে।

২.রুটিন অনুযায়ী পড়াশোনা করাঃ

দ্বিতীয় বিষয় যেটি মাথয় রাখা খুবই জরুরি সেই বিষয়টি হলো Routine।গবেষণায় দেখা গেছে টানা ৮-১০ ঘন্টা study করার চেয়ে অল্প অল্প সময় ধরে পড়াশোনা করলে বেশ কার্যকর হয়।তাই টানা ৮-১০ ঘন্টা না পড়ে একঘন্টা করে ভাগ করে কয়েক সপ্তাহ জুড়ে পড়লে অধিক উপকার পাওয়া যায়। 

তাই রুটিন করাটা জরুরি। আমরা পরীক্ষা আসলে পরীক্ষার ২ দিন আগে খাবার, ঘুম, আড্ডা সব বন্ধ করে সারাদিন-রাত নাক ডুবে পড়তে থাকি। যার ১০০ ভাগের ২০ ভাগ আমাদের ব্রেন নিতে পারে না।এবং এর ফলস্বরূপ আমরা পরীক্ষায় বেশ খারাপ একটা ফল লাভ করি।

তাই এই খারাপ ফলের জায়গায় স্মার্ট ফল লাভ করতে হলে টানা একটা সময় না পড় পরীক্ষার আগেই অল্প অল্প করে পড়ে রাখা ভালো। বিজ্ঞান আমাদের এই অল্প সময়ের কথা বলেছে কারণ আমাদের ব্রেন অল্প সময়টাকে ভালো করে রপ্ত করতে পারে, যেমন আমরা তিনবেলা অল্প অল্প করে খাই সুস্থ থাকি আবার একবেলাই তিনবেলার খাবার খেতে পারি না। তাই রুটিন করে পড়া শুরু করো সাফল্য তোমারই হবে।

৩.নিয়মিত পড়ালেখার অভ্যাস তৈরি করাঃ

তৃতীয় যে বিষয়টি মনে রাখতে হবে সেটি হলো Regularly।যেকোনো কাজের চর্চা নিয়মিত করলে বেশ ভালো ফল পাওয়া যায়। প্রতিদিন exercise করলে শরীর ও মন দুটিই ভালো থাকে আবার প্রতিদিন একটি games নিয়ে play করার পর সেটা ধীরে ধীরে অধিক সহজ মনে হয়।

ঠিক তেমনি নিয়মিত পড়াশোনা করলে ১০০% নিশ্চিত ভালো লাভ করা সম্ভব। তাই প্রতিদিন একটু হলেও পড়তে বসতে হবে।ব্রেনকে goal এর কথা স্মরণ করাতে হবে তবেই ব্রেন পড়ার জন্য force দিবে ও support করবে।

৪.লেখাপড়ার প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়ানোঃ

চতুর্থ বিষয়টি হলো Self-confidence। ক্লাসে একটা নতুন topics আলোচনা হলে সেটা top students দের কাছে easy মনে হয় যদিও topics টা নতুন এবং অন্যদিকে বাকি সব students দের কাছে সেটা hard মনে হয় আর এর মূল কারণ হলো নিজের আত্নবিশ্বাস

Top students দের আত্নবিশ্বাস বেশি ফলে তাদের কাছে easy মনে হচ্ছে আর বাকিরা আত্নবিশ্বাসের অভাবে শুরুতেই ঘাবড়ে যাচ্ছে। তাই সব সময় ভয় পেয়ে ঘাবড়ে যাওয়ার চেয়ে আত্নবিশ্বাসী হওয়াটা প্রয়োজন। কেনো বুঝতে পারছি না এইটা চিন্তা না করে বরং কীভাবে বোঝা যায় তার জন্য চেষ্টা করা উচিত এভাবেই আত্নবিশ্বাস বাড়বে।মনে রাখবে “ভয় পেলে তো পিছিয়ে গেলে”। 

৫.খারাপ অধ্যয়নের অভ্যাস না বলুনঃ

পঞ্চম বিষয়টি হল say no to bad study habit। ভাবছো study habit আবার bad হয় কীভাবে? পড়তে বসলে আমাদের কিছু বদ অভ্যাস দেখা দেয় যেমন আমি তো পড়তে বসেছি কিন্তু মন বসছে না কী যে  করি "উঁহু" এতো পড়ছি কই মুখস্থ হচ্ছে না যতসব আজাইরা পড়া মনে থাকে না।

দূর এই সাবজেক্ট কে আবিষ্কার করছিল। এই পড়া শুধু যারা মুখস্থ করতে পারে তাদের জন্য আমার জন্য নয়।ইস, পড়তে বসলেই ঘুম চলে আসে একটু ঘুমাই, পড়াই মন বসছে না, থাক ফেসবুকে একটু চ্যাট দিই দেখি সবাই কী করে। পড়তে ভালো লাগছে না থাক সিরিয়াল শেষ করেই পড়তে বসবো।

এরকম আরো নানা আবোল তাবোল বিষয় মাথায় ঘুরতে থাকে। এগুলো শুধু bad না super bad habit।কারণ এতো ভালো না লাগলে স্কুল,কলেজ, ভার্সিটি পরদিন থেকেই আর যেতাম না।তাই এই super bad habit গুলোকে no বলে তাড়িয়ে দিতে হবে। পড়াশোনায় focus দিতে হবে। এসব bad habit তাড়াতে motivational speech খুবই help করে।

৬.লেখাপড়া-পড়াশোনার প্রতি মনোযোগঃ

আমার আলোচনার ছয় নম্বর বিষয়টি হচ্ছে attentive। প্রতিটি students কে মনোযোগী হতে হয়।এরজন্য সব students কে listen more, speak less অর্থাৎ কম কথা বলা এবং বেশি শোনার অভ্যাস করতে হয়।আমরা যদি লক্ষ করি তাহলে দেখবো আমাদের ক্লাসরুমের top students রা খুব কম কথা বলে এবং মনোযোগ দিয়ে শোনে।

অবশ্যই পড়ুন-

তাদের কাছে একদিকে যেমন ক্লাসের লেকচার সহজ মনে হয় আবার অন্যদিকে বাসায় গিয়ে সেই লেকচারটি তারা সহজেই বুঝতে পারে।তাই আমাদেরকে অধিক মনোযোগী হতে হবে পড়াশোনায় ভালো করার জন্য। 

৭.আমাকে পারতেই হবেঃ

আমার আলোচনার সর্বশেষ বিষয়টি হলো Be positive।আমরা বেশির ভাগ মানুষ ভাবি যে আমি কিছুই পারি না এবং আমার দ্বারা কিছুই হবে না, আমাদের এই ভাবনাটি সম্পূর্ণ ভুল। আমি চেষ্টা না করা পর্যন্ত কী করে বলি আমার দ্বারা হবে না তাই আমাকে চেষ্টা করতে হবে। নিজের প্রতি দীর্ঘ বিশ্বাস রাখতে হবে।positively এবং confidently তাহলেই আমরা পারবো।

অবশ্যই পড়ুন-

তাহলে আর নিজেকে নিজে দোষ দিতে হবে না যে আমি কিছুই পারি না।আমি জানি আমি পারবো,আমাকে দিয়ে হবে এই বিশ্বাসটি নিয়ে চলতে হবে,সামনে এগোতে হবে, নিজের জীবনকে সুন্দর করতে হলে সব বাজে আনন্দ avoid করে পড়ার মধ্যেই আনন্দ খুঁজতে হবে।সুন্দর, সুস্থ ও সাফল্যময় জীবনের জন্য এখুনি goal setup করে সামনের দিকে এগোতে হবে। তোমাদের স্মার্ট রেজাল্ট কামনা করে আজ এ পর্যন্ত। বন্ধুরা এই ছিল কিছু টিপস যা আপনার লেখাপড়া ভালো করতে অনেকটাই সাহায্য করবে।

আমাদের শেষ কথাঃ

বন্ধুরা, আশা করি "লেখাপড়া ভালো করার উপায়" সম্পর্কে আপনি বুঝতে পারছেন, পোস্টটি ভালো লাগল বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের (অনলাইন কাজ) ওয়েবসাইট সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের সাইটটি সাবস্ক্রাইব করতে পারেন নতুন নতুন সব পোস্ট পাওয়ার জন্য ভালো থাকবেন।

📝রাইটারঃ সুমাইয়া জান্নাত রিয়া 
📃Onlinekaj.com

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post