চিনে নিন দুই ধরনের লোক এরা জীবনে ধনী হতে পারবে না-মোটিভেশনাল

আমি যদি আপনাদেরকে বলি আচ্ছা আপনারা একজন ধনী ব্যক্তির নাম বলুন তো।তখন আপনার মাথায় হয়তো বা এই ব্যক্তিগুলোর নামই আসবে বিল গেটস, জ্যাকমা বা কোনো সেলিব্রিটির নাম।

কিন্তু আপনারা হয়তো ২৪-৩০ বছর বয়স্ক কোনো ব্যক্তির কথা ভাবছেনই না। আমরা জন্মগতভাবে এমনই। আমরা অনেক বেশি ধনী বলতে বয়স্ক আর নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির কথাই মনে রাখি।

আর এই practice টি করার ফলে আমাদের মাথায় এটি fixed হয়েই গিয়েছে young Age এ অনেক বেশি ধনী হওয়া প্রায় অসম্ভব।

আমরা বেশির ভাগ মানুষ এটিই বিশ্বাস করে নিয়েছি, হ্যাঁ young Age কেউ যদি ধনী হয়েও থাকে সে অনেক বেশি talented অথবা  সে আসলে লাকি। এছাড়া বাকি সবারই অনেক বেশি সময় লাগে ধনী হওয়ার জন্য। 

দেখুন বেশির ভাগ মানুষই আমাদেরকে এই সাজেশনটি দিয়ে থাকে বা আমরা ছোটবেলা থেকেই এমনটি দেখে বা শুনে শুনে বড় হয়েছি আমাদের প্রথমে কোথাও থেকে টাকা ইনকাম করতে হবে পরে সেই টাকা থেকে টাকা  save করতে হবে।

অবশ্যই পড়ুন

তারপর সেই টাকা proper জায়গায় invest করেই, তাহলেই তুমি ধনী হতে পারবে।আর বিশ্বাস করুন ততদিনে একটি মানুষের বয়স minimum ৫০+ হয়ে যাবে। আর আমরাও সবাই এটিকে realistic মনে করি।

 

আর এটির ওপরই ভরসা পাই।কিন্তু আসল বাস্তবতা হলো যারা আমাদের এগুলো শিখিয়েছে তারা নিজেরাই অনেক বেশি ধনী না, তাই তারা এটি আসলে জানে না ধনী কীভাবে হতে হয়।

তো চলুন এবার আসল কথাই আসি আজ আমি এই পোস্টে এমন এক ব্যক্তির কথা আপনাদের কাছে বলবো যিনি শুরুতে অনেক বেশি গরীব ছিলেন এরপর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে মাএ ৩৪ বছর বয়সে একজন মিলিয়নার হয়েছেন তিনি হলেন"M J Demarco"।

আপনি যেহেতু এই পোস্টটি পড়ছেন তাই আমি ধরেই নিলাম আপনারও এই ধনী হওয়ার প্রবল ইচ্ছে টা রয়েছে এবং পরিশ্রম করার ইচ্ছাটা রয়েছে। M J Demarco এর ঠিক এই ইচ্ছে টাই ছিল সে শুরুতেই বুঝতে পেরেছিল 8-5 job করে সে কখনোই ধনী হতে পারবে না।

তাই সে তার কলেজ complete হওয়ার সাথেসাথেই নিজের একটি "business" শুরু করেন। কিন্তু সে এই business টিতে "success" হয়নি।তারপর তাদের বাসায় থেকেই আরো অনেক কিছু করার প্ল্যান করেছিলেন।

অবশ্যই পড়ুন

কিন্তু কোনটিতেই সে আর success হতে পারে নি।এভাবে করে হঠাৎ সে একদিন diction নিল বড় কোনো শহরে যাইতে হবে বড় opportunity এর জন্য। সে সেই মুহূর্তে তাদের বাসা থেকে বড় একটি শহরে চলে আছে যখন তার পকেটে ছিল মাত্র ৯০০ ডলার। 

আর এখান থেকে আমাদের এই জিনিসটি শিখতে হবে যখন ঠিক আপনার নিজের passion টা নেশার মতো হয়ে যাবে তখন সেটি আপনি complete করার জন্য কোনো বাঁধা কেই বাঁধা মনে করবেন না যতো কষ্টই আসুক না কেনো।

তারপর M J Demarco সেই শহরে গিয়ে websites তৈরি করতে শুরু করলো তার কাজের কোয়ালিটি এবং service দেখে মানুষ তাকে প্রচুর পরিমাণে কাজের অর্ডার দিল।

কিন্তু রাইটার তখনো তার passion কে ভুলে যাননি। তাকে তো আসলে অনেক বেশি ধনী হতে হবে। তখন সে ভাবলো আমি তো সবার জন্য websites তৈরি করি আবার আমি নিজের জন্য একটি website তৈরি করবো।তারপর সে website টি তৈরি করলো এবং সে website টিতে প্রচুর পরিমাণে পরিশ্রম করলো এবং যখনি website টি অনেক বেশি popular হয়ে যায় তখনি সে 1.2 Millionaire ডলারে বিক্রি করেছিল।

আর এতো সব experience হওয়ার পর M J Demarco বলেছেন,ধনী হওয়ার জন্য মানুষ তিনটিভাবে চিন্তা করে। রাইটার এই তিনটি রাস্তার সাথে মিল রেখে বলেছেন, 

  • Sidewalk 
  • Slow Lane
  • Fast Lane 

আর তিনটি কী? সেটি শোনার পর আপনারা এটি clear হয়ে যেতে পারবেন আমরা ধনী তো হতেই চাই কিন্তু আমারা কেনো আসলে এটি পারি না বা এই বিষয়ে আমাদের চিন্তা ভাবনাই বা কেমন।

তো চলুন সবার প্রথমে এটি জানা যাক যারা ধনী হওয়ার দৌড়ে sidewalk দিয়ে হাঁটছেন এই way তে গরিব আর অসচেতন লোকেরাই রয়েছে। যারা টাকা তো ইনকাম করে ঠিকই কিন্তু টাকা খরচ করার ক্ষেত্রে কোনো কন্ট্রোলই নেই।

তাছাড়া এমন মানুষদের দেখবেন যে টাকা এমনভাবে খরচ করে দুনিয়াতে আজই দুনিয়ার শেষদিন সব টাকা আজই শেষ করতে হবে দুনিয়াতে কাল নামক কোনো দিনই নেই।

আমি যদি আপনাদেরকে বলি আচ্ছা আপনারা একজন ধনী ব্যক্তির নাম বলুন তো।তখন আপনার মাথায় হয়তো বা এই ব্যক্তিগুলোর নামই আসবে বিল গেটস, জ্যাকমা বা কোনো সেলিব্রিটির নাম।

তাদের financial intelligence almost 0।তাই তাদের জীবনেও কোনো টাকা আসলেই জমানো হয় না।আপনারা অনেক সেলিব্রিটি বা খেলোয়াড়কে দেখবেন তারা অনেক টাকা ইনকাম করলেও জীবনে শেষ সময় তাদের ভিক্ষা করে চলতে হয়।এটির কারণ হলো তারা আসলে সারাজীবন sidewalk ছিলেন।

অবশ্যই পড়ুন

তাই আপনি একজন sidewalk কে যত টাকাই দেন না কেনো দিন শেষে দেখবেন সে গরিবই হয়ে গেছে কারণ তাদের মন-মানসিকতাই এমন।যাইহোক এই sidewalk এ যদি কেউ থেকে তাহলে এটি থেকে মুক্তির জন্য আপনাকে তিনটি জিনিস অবশ্যই believe করতেই হবে।  

.ধনী হতে ভাগ্য না,পরিশ্রম লাগেঃ

আমরা এভাবেই ভাবি Rich people are just lucky।আর নিজের মনকে এই বুঝতি দিয়ে দেই এবং নিজের responsibility থেকে  এই বুঝ দিয়ে সরেও যাই।

কিন্তু সকল ধনী লোকেরা ভাগ্য দিয়ে ধনী হয়নি।যেমন মিস্টার মার্চুগাল বার্গ তিনি অনেক কম বয়সে ধনী হয়েছেন। কিন্তু আপনারা কজনই বা তার ফেসবুক সাইট থেকে success এর আগের পরিশ্রমের কথা জানেন।

তিনি খুব ছোটবেলা থেকেই একজন প্রোগ্রামার experts ছিলেন এবং সেই ছোটবেলা থেকেই তিনি অনেক পরিশ্রম করে গিয়েছেন এই প্রোগ্রামিং এর পিছনে। তাই অবশ্যই ভাগ্য নয় পরিশ্রমে বিশ্বাস করতে হবে।

.সম্পদ হওয়া কোনো event নয়ঃ

আসলে সম্পদ হওয়া এটি একটি process। আমরা অনেককেই দেখি তার কোম্পানি বিক্রি করে দিয়ে বা তার কোম্পানি থেকে প্রতি মাসে মিলিয়ন ডলার আছে। 

আসলে আমরা তো দেখি টাকাটা একদিন বা একমাসের মধ্যেই চলে আছে কিন্তু আমরা এটি দেখিনি এই কোম্পানির পিছনে সে যে last ১০টি বছর বা ৫টি বছর কী পরিমাণ শ্রম দিয়েছে।

আজ তার একাউন্টে  যে ডলার ট্রান্সফার হচ্ছে তা আসলে তার সে দশ বছরের কষ্টেরই শ্রম overnight কোনো কিছু নয়।তাই অবশ্যই এটি মনে রাখবেন success কোনো event নয় এটি আসলে একটি long term process।

.কেউ আমাকে ধনী করে দিবেঃ

দেখুন এই পৃথিবীতে কেউ কাউকে ধনী করে দিতে পারবে না সে নিজে ছাড়া। আপনাদের একটি ডাটা শেয়ার করি এই বিষয়টি নিয়ে। 

এই পৃথিবীতে বহুলোক রয়েছে যারা লটারি জিতে একরাতের মধ্যে ধনী হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাদের ওপর study করে দেখা গিয়েছে তারা দুই বছরের মধ্যেই আবারো সেই গরীবই হয়ে গিয়েছে। 

দেখুন একটি ফুটো বালতির মধ্যে আপনি যতই পানি ঢালেন না কেনো তা শেষ হয়েই যাবে।আর ঠিক এটিই হয় টাকা-পয়সার ক্ষেত্রে। আমাদের মন মানসিকতা এমন ফুটো বালতির মতো।আমাদের মনে রাখতে হবে কেউ আমাদেরকে ধনী করে দিবে না নিজে নিজে ধনী হতে হবে।

এতক্ষণ বললাম sidewalk থেকে কীভাবে মুক্তি পাবেন। এখন চলুন slow lane এ যাওয়া যাক।এই অপশনটি আরো বেশি সেন্সসিটিভ। সবচেয়ে বেশি middle class লোকই এই অপশনটি চয়েস করে বেশিরভাগ ডাক্তার,ইন্জিনিয়ার,উকিল থেকে শুরু করে almost সকল চাকুরীজীবি এই লাইন এ।

অবশ্যই পড়ুন

তারা  টাকা পয়সা জমায় আজেবাজে কোনো জিনিস কিনে না বা খরচ করে না এরপর সেই টাকা কোথাও invest করে কোনো না কোনোদিন তারা  ধনী হয়েই যায়।হ্যাঁ, এই অপশনটি অনেক বেশি ভালো যদি আপনি শুধুমাত্র আপনার জীবনের stability এবং security চান তাহলেই।

আমি আপনাদের এখন একটি কথা জিজ্ঞাসা করতে চাই, আচ্ছা আপনি কী অনেক দামী নিজের একটি Car চালিয়ে মজা পাবেন যখন আপনার বয়স হয়ে যাবে ৬০ বছর। 

"আচ্ছা আপনি কী ইন্দোনেশিয়ার বাউলী দ্বীপ এ যায়ে মজা পাবেন যখন আপনার বয়স ৬০+ হয়ে যাবে। তাহলে এখন আপনিই বলুন কী লাভ পুরো জীবন শেষ করে দিয়ে সেই টাকাকে ইনকাম করে। মানে আপনি আপনার সমস্ত time বিক্রি করে দিয়েছেন এই টাকা জমাতে গিয়ে"। 

ধরুন আপনি অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে গিয়েছেন বা আপনার একটি accident হয়েছে আপনার অনেক rest এর প্রয়োজন এখন আপনিই বলুন আপনার কী আসলে চাকরিটি থাকবে না টাকা আসবে।

আবার ধরুন আপনার family তে কোনো একটি problem হয়েছে তাই আপনার মানসিক অবস্থা অনেক খারাপ আপনার অনেকদিনের ছুটির দরকার rest এর জন্য বা অন্য কোনো কারণে তাহলে কী তা আপনি আসলে পাবেন। 

এর অর্থ দাঁড়াল আপনি যখনি time কে দেওয়া বন্ধ করে দিবেন আপনার টাকা আসাও ঠিক তখনই বন্ধ হয়ে যাবে। আর তাই এখন আমি আপনাদের সাথে এটি শেয়ার করবো এই time কে কীভাবে বিক্রি না করে কাজে লাগানো যাবে যেমন টাকাও আসবে unlimited আবার time ও রয়ে যাবে অনেক। আর সেটিই Fast lane।

Fast lane হলো সেই জায়গা যার মাধ্যমে আপনি খুব দ্রুত ধনী হতে পারবেন। যদি আপনি আপনার life এ enjoy করতে চান তাহলে আপনাকে এই fast lane এ থাকতে হবে। 

হ্যাঁ আমি এটি বলতে পারবো না আপনি আসলে কোন বিষয়ে অনেক বেশি passionate but আমি এটি বলতে পারবো আপনি fast lane এ কীভাবে নিজেকে রাখতে পারবেন বা থাকতে পারবেন। fast lane এ থাকতে হলে আপনাকে এমন কোনো accad তৈরি করতে হবে যার দ্বারা আপনি ঘুমিয়ে থাকলেও বা আপনি কাজ করেন বা না করেন মানেই Genarate হতেই থাকবে।

ধরুন আপনি একটি App Android বা IOS App তৈরি করলেন এখন আপনি জেগে থাকেন বা ঘুমিয়ে থাকেন আপনার app টি কিন্তু চলতেই থাকবে ।

ধরুন আপনি একটি বাসা তৈরি করলেন ৫ ফ্লোরের। এটি আপনি ভাড়া দিলেন তখন আপনি দেখবেন আপনি যেখানে থাকেন না কেনো আপনার টাকা ঠিকই আসবে।

এখন আপনি বলতে পারেন ভাই আমি তো প্রোগ্রামিংও জানি না আর আমার বিল্ডিং করার মতো এতো টাকাও নেই তাহলে আমি করবো? যদি আপনি এই মুহুর্তে এটিই ভাবছেন আমি আসলে কী করবো এর মানে আপনি slow lane এ আটকে গিয়েছেন। 

মানে আপনি নিজেকে sure করেই দিয়েছেন আপনার কোনো passionate নেই আর থাকলেও আপনি সেটার ওপর ভরসা করতে পারছেনই না। এটি কেনো হয় শুনুন কারণ। 

আমরা কোনো কিছু শেখার বদলে আজাইরা টিভি দেখি আর সেই টিভি দেখে আমরা এটি memories করে ফেলি big boss এ এই সিজনে কে কী করলো।এখন আপনিই বলুন এটি করে আপনি দুনিয়াকে কী value দিবেন।

যে দুনিয়া আপনাকে ধনী বানিয়ে দিবে।চিন্তা করুন আপনি যখন বাসাই বসেবসে টিভি দেখছেন তখন বিনি এবং সচিন বার্নসার্ল স্লিপ কার্ড তৈরির জন্য কষ্ট করছে। আপনি যখন বন্ধুদের সাথে সময় পার করছেন তখন সাকিব আল হাসান আরো অনেক বেশি practice করে যাচ্ছে।

অবশ্যই পড়ুন

তিনি যেন এই পৃথিবীর সর্ব্বোচ্চ ক্রিকেট খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রথম হতে পারেন। তাই আপনাকেও প্রথমে আপনার ভালো লাগার কাজটিকে খুঁজে বের করতে হবে। 

(মানে আপনার passion তারপর সেটির ওপর প্রচুর পরিমাণ বই পড়তে হবে ভিডিও দেখতে পারেন বিভিন্ন রকম article online offline class করতে পারেন)। এভাবে করে আপনি সে বিষয়ে একজন exparte হতে পারবেন এবং সেই সেক্টরে ভিন্ন কিছু বা নতুন কিছু করে আপনি দ্রুত money generate করতে পারবেন। 

হ্যাঁ তবে এটিও ঠিক আমরা আমাদের কাজের মধ্যে বিভিন্ন সময় অন্য মনস্ক হয়ে যাই, demotivated হয়ে যাই আর এটিও একটি ভয়ঙ্কর সমস্যা আমাদের success না হওয়ার পিছনে। 

আমাদের শেষ কথাঃ

বন্ধুরা, আশা করি আপনি বুঝতে পারছেন, পোস্টটি ভালো লাগল বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের (অনলাইন কাজ) ওয়েবসাইট সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের সাইটটি সাবস্ক্রাইব করতে পারেন নতুন নতুন সব পোস্ট পাওয়ার জন্য ভালো থাকবেন।

📝রাইটারঃ- সুমাইয়া জান্নাত রিয়া 

📃পাবলিশারঃ অনলাইন কাজ

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post