অল্প পুজিতে লাভজনক ব্যবসা || মোজার ব্যবসার আইডিয়া।

ব্যবসা করার জন্য শুধু টাকা থাকলেই যথেষ্ট নয় প্রায়জন হবে সঠিক পরিকল্পনা এবং সঠিক সিদ্ধান্তর।টাকা যতই থাকুক না কেনো ভুল ব্যবসাই পা বাড়ালেই পুরো ভবিষ্যৎই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

তাই সঠিক সময় সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা সবথেকে বড় একটি চ্যালেন্জ।"আজ এই পোস্টে আমরা এমন একটি ব্যবসার সম্পর্কে আলোচনা করব  যে পণ্যটি পৃথিবীর সকলেই প্রায় ব্যবহার করেন কিন্তু তার ব্যবসা সম্পর্কে ৯৯ শতাংশ মানুষের কোনো ধারণা নেই"।

গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি ব্যবসাটি শুরু করলে আপনার ক্ষতির মুখ কখনোই দেখতে হবে না।

আজকের “ব্যবসার আইডিয়াটি হলো পায়ের মোজা তৈরির ব্যবসা”।আপনি আপনার এলাকায় খোঁজ করলে দেখতে পাবেন আপনার এলাকায় এই ব্যবসাটি একদমই নেই বললে চলে।

দেশের প্রায় ২-৩ টি প্রতিষ্ঠান এই ব্যবসাটি পরিচালনা করছে। যারা পরিচালনা করছে  তারা এই ব্যবসাটি সম্পর্কে কোনো প্রকার তথ্য আপনাকে প্রদান করবে না। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন এই মোজা হাতেই তৈরি হয়,বিভিন্ন কারিগররা হাতের সাহায্যে তৈরি করে বিভিন্ন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে।

অবশ্যই পড়ুন-

আসলে এটি তৈরি হয় সম্পূর্ণ অটোমেটিক মেশিনের সাহায্যে। কোনো প্রকার হাতের স্পর্শ ছাড়াই এবং কোনো গার্মন্টেস ফ্যাক্টরি এসব তৈরি করে না।

অল্প পুজিতে মোজার ব্যবসার আইডিয়া 

একজোড়া "মোজা" তৈরি হতে খরচ হয় ৮ টাকা থেকে ৪৫ টাকা পর্যন্ত। ভাবলে অবাক হতে হয় বাজার যেসব মোজা আমরা ৫০ টাকা করে ক্রয় করি এই মোজা কোম্পানি বিক্রয়  করছে ১৫-২০ টাকায়।

আজকের “ব্যবসার আইডিয়াটি হলো পায়ের মোজা তৈরির ব্যবসা”।আপনি আপনার এলাকায় খোঁজ করলে দেখতে পাবেন আপনার এলাকায় এই ব্যবসাটি একদমই নেই বললে চলে।
মোজার ব্যবসা

মোজার চাহিদা সবথেকে শীতে বেশি বৃদ্ধি পায় তাই আসছে শীতে আপনি নিঃসন্দেহে এই ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। একটি কথা আপনাদের জানিয়ে রাখি নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত এই চার মাসের মধ্যে মোজা তৈরির একটি মেশিন থেকে minimum ২ লক্ষ টাকা profit থাকে

মোজা কীভাবে তৈরি হয়? 

সর্বপ্রথম মেশিনে সুতো লাগাতে হয় । মেশিনের ওপরে যে চ্যানেলটি রয়েছে সেখানেই সুতো লাগাতে হয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন কালারের সুতো একএিত হয়ে বিভিন্ন ডিজাইনের মোজাই রুপান্তরিত হয়। 

আবার মেশিনটিতে বিভিন্ন সাইজ ও ডিজাইন selected করে দিতে হয়।কোনো প্রকার হাতের স্পর্শ প্রয়োজন হয় না। মোজার তৈরি হওয়ার পর অটোমেটিকভাবে মোজা নিচে পরে যায়।

 

মোজার নিচের অংশ স্টিকিং করার জন্য  পাঠানো হয় ম্যানুয়াল মেশিনে। যেখানে একটি ব্যক্তি হাতের সাহায্যে সেলাই মেশিন দিয়ে এটিকে স্টিকিং করে।এরপর এই মোজাটিকে পাঠানো হয় pressing Unit  এ যেখানে হাতের সাহায্যে মোজাগুলোকে pressing করে প্যাকিং এর জন্য প্রস্তুত করে।

এরপর এর ওপর ব্যান্ডিং এবং প্যাকিং করে বাজারে বিক্রয় করার জন্য প্রস্তুত।

এবার চলুন আলোচনা করি  মোজা তৈরির মেশিনটি সম্পর্কে-

মোজা তৈরির মেশিনের দাম শুরু হয় ২ লক্ষ ৫০ হাজার থেকে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার পর্যন্ত”। ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার এই মেশিনটি দিয়ে আপনি প্রতিদিন ২৫০-৩০০ পিস মোজা তৈরি করতে পারবেন এবং ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ওপরের মেশিনটি দিয়ে আপনি প্রতিদিন ৪০০-৪৫০ পিস মোজা তৈরি করতে পারবেন।

 অবশ্যই পড়ুন-

চলুন এবার আলোচনা করি পণ্যগুলো কোথায় বিক্রি করবেন। আপনার পরিচিতি বৃদ্ধি পেলে দূর-দূরান্ত থেকে পাইকাররা আসে আপনার কোম্পানি থেকে মোজা কিনে নিয়ে যাবে। আপনার পরিচয় দ্রুত প্রসার ঘটাতে YouTube এর সহযোগিতা নিন।

YouTube এ advertisements দিয়ে আপনি আপনার কোম্পানিকে তুলে ধরুন। এতে করে দূর -দূরান্তের পাইকাররা সহজেই আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। 

মেশিন অপারেটিং এর জন্য যেখান থেকে মেশিন কিনবেন সেখানেই তারা শিখিয়ে দিবে তিনদিন এর ট্রেনিং এর মাধ্যমে। একটি মেশিন দ্বারা প্রতি সেশনে ১.৫-২.0 লক্ষ টাকা profit করা সম্ভব। 

আপনার কাছে যদি এমন ৫টি মেশিন থাকে তাহলে খুব সহজেই প্রতি বছর আপনি ৫-৭ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন। আর মেশিনটি দিয়ে আপনি আপনার নিজের তৈরি করা কোয়ালিটি এবং যেকোনো ডিজাইনের মোজা তৈরি করতে পারবেন।

আমাদের শেষ কথাঃ

বন্ধুরা, আশা করি "মোজার ব্যবসার" সম্পর্কে আপনি বুঝতে পারছেন, পোস্টটি ভালো লাগল বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের (অনলাইন কাজ) ওয়েবসাইট সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের সাইটটি সাবস্ক্রাইব করতে পারেন নতুন নতুন সব পোস্ট পাওয়ার জন্য ভালো থাকবেন।

📝রাইটার- সুমাইয়া জান্নাত রিয়া 

📃Onlinekaj.com

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post