জীবনে সফল হওয়ার উপায়?(মোটিভেশনাল)

সব কাজে সফল হওয়ার টোটকাঃ সফলতার বিপরীতে রয়েছে ব্যর্থতা। ব্যর্থতা বলতে আমরা বুঝি কিছু নেতিবাচক বা ভুল কাজের ধারাবাহিক পুনরাবৃত্তি। ব্যর্থতাকে অতিক্রম করেই উন্নতি করতে হয়।

উন্নতি হলো বর্তমানের কাজ বা ভবিষ্যতের দৃঢ় প্রত্যয়। এবার আমাদের আসল বিষয় “সফলতায়” আসা যাক। ("সফলতা হচ্ছে কার্যকর দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে ধৈর্য্য  সহকারে কর্মের প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করার নাম")।পৃথিবীর এমন কোনো সফল ব্যাক্তি নেই যাকে ব্যর্থতা আঁচ করেনি।

জীবনে সফলতা অর্জনের উপায়সমুহ?

উন্নতি হলো বর্তমানের কাজ বা ভবিষ্যতের দৃঢ় প্রত্যয়। এবার আমাদের আসল বিষয় “সফলতায়” আসা যাক। ("সফলতা হচ্ছে কার্যকর দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে ধৈর্য্য  সহকারে কর্মের প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করার নাম")।পৃথিবীর এমন কোনো সফল ব্যাক্তি নেই যাকে ব্যর্থতা আঁচ করেনি।

ব্যর্থতা হচ্ছে সফলতার যাত্রাপথে একটু বিরতি মাত্র।আসুন সফলতার জন্য ৭ টি বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিই। তাহলেই আমরা “জীবনে সফল হবো ইনশাল্লাহ”। 

  1. চিন্তা
  2. প্রস্তুতি 
  3. চেষ্টা 
  4. সময়
  5. মেধা 
  6. পরিকল্পনা 
  7. কাজ

এই চাবিকাঠি গুলোর মাধ্যমে আপনি আপনার জীবনে সফল হতে পারেন খুব সহজেই। 

জীবনে ভালো কিছু করার উপায়?

নিচে আমাদের জীবনে সফলতার জন্য ৭টি পয়েন্ট বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

১.চিন্তাঃ

চিন্তা শক্তির প্রখরতা মানুষের মনের অলৌকিক পরিবর্তন আনতে পারে। যে সৎ চিন্তায় নিমগ্ন থাকে কুশোলতা তাকে স্পর্শ করতে পারে না। শিক্ষা ছাড়া চিন্তা বিপদজনক। মহৎ চিন্তা যার সঙ্গী সে কখনোই ব্যর্থ হতে পারে না। ভালো একটা চিন্তা করলে বিধা-দাতা পথ দেখাবেই।

অবশ্যই পড়ুন

(নেপোলিয়ন পাহাড়ে বসে চিন্তা করেই বিখ্যাত হয়েছেন)। “কলমবাজ আবিস্কারের চিন্তা করেই বিখ্যাত হয়েছেন”। [জগৎবিখ্যাত সফল ব্যক্তিরা কোন বিষয়ে চিন্তা করেছিলেন, মূলত স্বপ্ন নিয়ে, লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে, জীবন নিয়ে, জীবন ও মানবতার সুখ নিয়েই তারা চিন্তা করেছিলেন]। 

২.প্রস্তুতিঃ

প্রস্তুতির অর্থ ব্যর্থতাকে সহ্য করা। কখনো ব্যর্থতাকে মেনে নেওয়া নয়। এর অর্থ পরাজয়ের মানসিকতাকে ত্যাগ করে জয়ের মুখোমুখি হওয়ার সাহস। একবার ব্যর্থ হয়ে নিরুৎসাহিত না হওয়া।

প্রস্তুতির অর্থ ভুলগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ। আমরা সকলেই ভুল করি। ভুল করা কোনো অন্যায় নয়। একজন নির্বোধ একি ভুল বারবার করে। ভুল করে যে নিজেকে সংশোধন না করে সে ভবিষ্যতে আরো ভুল করতে পারে। 

প্রস্তুতি না থাকলে মনের ওপর চাপ বাড়ে। আকাঙ্খা ও অল্প চিন্তাতে কোনো কাজ হবে না। প্রস্তুতির ফলেই কেবল প্রতিযোগিতায় প্রাধান্য পাওয়া যায়। জন্মদিন, বিয়ের অনুষ্ঠান, বিয়েপূর্তি,ভালোবাসা দিবস এই জাতীয় দিবসগুলোতে কোনো পার্টির আয়োজনে আমরা আগে থেকেই অনুষ্ঠানটি সুন্দর করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে থাকি।

অবশ্যই পড়ুন

কিন্তু আমরা সোনার হরিণ বা সুখের পায়রা নামক সফলতাটি নিজের ললাটে যুক্ত করতে চাই। অথচ তেমন কার্যকরই ও বাস্তব প্রস্তুতি গ্রহণ করি না তাহলে সফলতা কী সম্ভব? আমরা আমাদের জীবনে পরিবর্তন করতে যাচ্ছি, তাহলে কেমন প্রস্তুতি চাই? প্রস্তুতির দুটি ভাগ আছে। যথাঃ

প্রথম ভাগঃ

বিশ্বাস করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। ধৈর্য্য ধরা এবং লেগে থাকার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। 

দ্বিতীয় ভাগঃ

শারীরিক প্রস্তুতি, dress court, official instrument, মানসিক প্রস্তুতি, proactive positive হওয়া, সম্ভব বলা বাধা আসবেই, জেনুইনতা প্রতিরোধের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকা এবং অবশ্যই পারবো বলা।

৩.চেষ্টাঃ

চাওয়াকে পাওয়ার জন্য বেপরোয়া হয়ে উঠে পরে লাগাই হলো চেষ্টা। অর্থাৎ ব্যর্থ হলেও থামা যাবে না। 

৪.সময়ঃ

সফলতার জন্য আমাদের পূর্ণসময়ের মানসিকতা থাকা দরকার। অর্থাৎ আমাদের সীমাবদ্ধ সময়ের মধ্যে যেটুকু আছে সেটুকুতে পূর্ণ সময় দিতে হবে।

প্রথমে জানার ক্ষেত্রে অর্থাৎ যেকোনো বিষয় না বুঝলে সে ব্যাপারে তথ্য অর্জনের পিছনে সময় ব্যয় করতে হবে। সফলতা হতে গেলে অনেক সময় অনেক রকম তথ্য সংগ্রহ করা একান্ত প্রয়োজন

অফিসে নিয়মিত আসার সময় দিতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ৭-১০ ঘন্টা সময় বিনিয়োগ করতে হবে। সীমাবদ্ধ সময়ের যেটুকু এখন বিনিয়োগ করছি তা ভবিষ্যতে পাইপলাইন সৃষ্টি হবে। আমরা নিজের জন্য কিছু সময় অর্জন করতে সক্ষম হবো।

যা দিয়ে আমাদের পরিবারের জন্য বড় ধরনের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবো। জীবন গঠনের জন্য সু-অভ্যাস প্রয়োজন। পরবর্তী ৩০ দিন যদি কঠোর অধ্যাবসায়ী হই,আমি নিশ্চিত যে এটি আমাদের অভ্যাসে পরিণত হবে। 

৫.মেধাঃ

সফলতা অর্জনের জন্য কিছু মেধা বিনিয়োগ করতে হবে। এই মেধা বিনিয়োগ করতে হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। যেমন আমাদের মাঝে ৯৫℅ লোক নেতিবাচক এরা আমাদের প্রতিনিয়ত negative প্রশ্ন করতে থাকে। তাই এদেরকে সন্তোষজনক উত্তর দেওয়ার জন্য সূক্ষ্ণ মেধা ব্যয় করতে হবে। 

বিভিন্ন ধরনের লোক অর্থাৎ চাকুরিজীবী,পেশাজীবি, ব্যবসায়ীদের কন্ট্রোল করার জন্য ও কাঙ্খিত ক্ষেত্রে আমন্ত্রণ করার জন্য ভিন্ন কৌশল জানতে হবে।

এবং তাদেরকে বাগে আনার জন্য নতুন নতুন নিয়ম বের করার জন্য মেধা ব্যয় করতে হবে। সর্বোপরি সৃজনশীল হওয়ার জন্য মেধা ব্যয় করতে হবে। যেটি দক্ষ,দায়িত্বশীল ও নেতা হওয়ার পূর্বশর্ত। তাহলে দেখবেন সফলতা আপনার জীবনে আসবেই।

৬.পরিকল্পনাঃ

কীভাবে টার্গেট পূরণ করা যায় এবং লক্ষ্য, উদেশ্য বাস্তবায়ন করা যায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার জন্য মাস্টার প্ল্যান করা। কীভাবে Leaders, Motivator, Trainer হওয়া যায় তার জন্যও পরিকল্পনা করা। 

৭.কাজঃ

জীবন মানেই কাজ। সফলতার জন্য প্রয়োজন চিন্তা, পরিকল্পনা ও কাজ। আর কাজ হলো সফলতার সাথে সরাসরি যুক্ত। কাজের মধ্যে ধারাবাহিকতা জরুরি, তাহলেই জীবনে জয়ী দিগন্ত উন্মোচিত হবে ইনশাল্লাহ।

আমাদের শেষ কথাঃ

বন্ধুরা, আশা করি জীবনে সফল হওয়ার উপায় সম্পর্কে আপনি বুঝতে পারছেন, পোস্টটি ভালো লাগল বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের (অনলাইন কাজ) ওয়েবসাইট সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের সাইটটি সাবস্ক্রাইব করতে পারেন নতুন নতুন সব পোস্ট পাওয়ার জন্য ভালো থাকবেন।

📝রাইটারঃ সুমাইয়া জান্নাত রিয়া 

📃Onlinekaj.com

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post