সুখি হতে চাইলে এই ৪টি কথা কাউকে কখনোই বলবেন না-মোটিভেশনাল

সুখি হওয়ার সুত্রসমুহঃ-বন্ধুরা সুখি তো আমরা জীবনে সবাই হতে চাই।সবারই জীবনের ধারণা আর জীবনের পথ চলার ধরণ হয়তো আলাদা আলাদা হয়ে থাকে।

কিন্তু আমরা যাই করে থাকি না কেনো তার পেছনে আমাদের সবার উদ্দেশ্য হলো জীবনে সুখি থাকা আর শান্তিতে জীবন যাপন করা।

অর্থাৎ "happiness" হলো আমাদের জীবনের প্রধান লক্ষ্য।তাহলে এখন প্রশ্ন এটাই যে "সুখি থাকতে গেলে কিসের প্রয়োজন"। এখন অনেকেই হয়তো বলবেন যে টাকার প্রয়োজন। 

হ্যাঁ এটা তো ঠিক যে সুখি হতে গেলে সত্যিই টাকার প্রয়োজন হয়।টাকা থাকলে তবেই আপনি আপনার gf বা বউ কে gift দিয়ে কিংবা কোথাও ঘুরতে নিয়ে যায়ে অথবা দামী হোটেলে খাবার খাইয়ে যেমন খুশি করতে পারেন তেমনি মা বাবার মনের ইচ্ছা পূরণ করতে পারেন।

যাতে আপনি নিজেও সুখি থাকতে পারবেন। আমরা বেশির ভাগ মানুষই সফল হতে চাই প্রচুর টাকা ইনকাম করার জন্য যাতে আমরা নিজেদের সাথে সাথে অন্যদেরকেও সুখি রাখতে পারি।

কিন্তু বন্ধুরা পৃথিবীতে এমন অনেক লোকই আছে যারা জীবনে সফল তো হয়ে গেছে আর টাকারো তাদের প্রয়োজন নেই। কিন্তু তাদের জীবনে কোনো রকম খুশি নেই তারা যেন just একটা জীবন্ত লাশের মতো কাগজের টুকরোর ওপরই পরে থাকে।

অবশ্যই পড়ুন-

যদি আপনি খেয়াল করেন তাহলে হয়তো এই ধরনের ধনী ব্যক্তিদের আপনার বাড়ির আশেপাশেও দেখতে পেতে পারেন।অর্থাৎ “জীবনে যদি কোনো খুশি না থাকে তাহলে টাকা শুধু আপনার কাছে কাগজের টুকরোর মতোই মনে হবে”।

যা দিয়ে আপনার পাওয়ার,রেসপেক্ট, খাদ্য, বাড়ি গাড়ি সবকিছু কিনতে পারলেও happiness কিনতে পারেন না।

তো বন্ধুরা আজকে আমি আপনাদের সাথে এমন কিছু tips শেয়ার করবো যে ধরনের কথাগুলি আপনার কখনোই অন্যদের সাথে আলোচনা করা উচিত নয়।

সুখী হওয়ার চারটি উপায়? 

সুখি হতে চাইলে এই ৪টি কথা কাউকে কখনোই বলবেন না-মোটিভেশনাল

সুখী হওয়ার উপায়:-একটা কথা আছে যে বন্ধুকের গুলি আর মুখের বুলি একবার বেরিয়ে গেলে আর ধরা যায় না।তাই মুখের কথাও আমাদের জীবনকে অনেক খানি নিয়ন্ত্রণ করে।

সব সময় মনে রাখা উচিত যে ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না।তাই জীবনে সুখি থাকার জন্য কথা ও কাজ সব সময় ভেবে বলা ও করা উচিত।

তাহলে আর বেশি কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নিই সে কথাগুলি (যেগুল আলোচনা করলে জীবনে সুখি থাকতে পারবো)।

1.Financial problems or lose | আর্থিক সমস্যা 

অর্থাৎ (আমাদের জীবনের আর্থিক সমস্যা কিংবা ক্ষতি নিয়ে কখনো অন্যদের সাথে আলোচনা কর উচিত নয়)।যদি আপনি আপনার আর্থিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন তাহলে সবাই শুনবে কিন্তু কেনো ব্যক্তি সে সময় সাহায্য করবে না।

তাছাড়া হয়তো লোকজন সেই সময় আপনার থেকে এড়িয়ে চলারও চেষ্টা করবে।কারণ তারা ভাববে যে আপনি হয়তো টাকার সমস্যার কথা এ কারণে তাদেরকে বলছেন কারণ আপনার টাকার প্রয়োজন আর হয়তো আপনি তার থেকেও সাহায্য চাইতে পারেন।

কিন্তু ভাই টাকা হলো এমন একটি জিনিস যে জিনিসটি কোনো মানুষই কাউকে দিতে পছন্দ করে না।তাই তারা আপনার কথা শুনলেও next time থেকে হয়তো আপনাকে avoid করারই চেষ্টা করবে।

আবার অনেকে এ সময় আপনার দূর্বলতার সুযোগও নিতে পারেন।নিজেদের ফায়দার জন্য হয়তো অনেকে আপনাকে লোভ দেখিয়ে নিজেদের সাহায্য মিটে নেওয়ার চেষ্টা করবে।

অবশ্যই পড়ুন-

আর আমরা এটাও জানি যে (যার টাকার অভাব রয়েছে সমাজ তাকে কখনো সম্মান করে না কিন্তু যদি কেউ প্রচুর সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকে তাহলে তাকে সবাই সম্মান করে থাকে)। 

তাই আপনার আর্থিক সমস্যার কথা সবার সামনে বলবেন না। কারণ আমরা কেউই কখনো চাই না যে কোনো মানুষ আমাদেরকে অসম্মান করুক কিংবা আমাদের গুরুত্ব সমাজ থেকে কিছুটা কম হয়ে যাক।

2.Personal problems and secrets | ব্যক্তিগত সমস্যার কথা

আর্থিক সমস্যার মতো আপনার ব্যক্তিগত সমস্যা কিংবা কোনো গোপন বিষয় নিয়ে কখনো কারো সাথে আলোচনা করা উচিত নয়।তো প্রথমে আশা যাক ব্যক্তিগত সমস্যার ওপর। 

ধরুন আপনি কোনো কোম্পানিতে জব করছেন যেখানে আপনার অনেক রকম ব্যক্তিগত সমস্যার মুখে পরতে হচ্ছে। হয়তো আপনি আপনার বস কে পছন্দ করেন না অর্থাৎ আপনি অন্যান্য কর্মচারীদের সাথে গিয়েও ঐ সমস্যাটি নিয়ে আলোচনা করলেন।

আর তাদের মধ্যে থেকে কেউ একজনই নিজের ফায়দার জন্য ঐ কোম্পানির বসকে গিয়েই আপনার বলা সব কথাগুলি জানিয়ে দিল।তাহলে তো ভাই বাকিটা নিশ্চয় আর বলার দরকার নেই অর্থাৎ আপনি যদি নিজের সমস্ত সমস্যার কথা সবাইকে বলে দিতে থাকেন।

তাহলে কোনো এক সময়ে আপনাকেই তাদের সামনে মাথা নিচু করতেই হবে।এছাড়া আপনার ব্যক্তিগত সমস্যাগুলি সবাইকে বলতে থাকলে আপনার সবার সাথেই হয়তো সম্পর্ক খারাপ হতে থাকবে।

কারণ আমাদের প্রতিদিনকার জীবনে প্রচুর সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।তাই বেশি আলোচনা না করে নিজের সমস্যাকে নিজেই solve করতে শিখে নেওয়া উচিত।

অবশ্যই পড়ুন-

আর আমাদের “গোপনীয়তা” তো আমরা সব সময় গোপন রাখতেই ভালোবাসি।কিন্তু কিছু মানুষ অনেক সময় নিজের গোপন কিছু কথা অন্যদেরকে খুব ভালো বন্ধু ভেবে বা বিশ্বাস করে ফেলে।

আর যার কারণে তাদের জীবনের খুশি চলে যেতে খুব বেশি সময় লাগে না।তাই নিজের personal কথা সব সময় personal ই রাখুন।এই কাজটি নিশ্চয় আপনাকে সব সময় খুশি রাখতে সাহায্য করবে। 

3.Character and relationship | চরিত্র বুঝে সম্পর্ক

আমাদের মধ্যে অনেক মানুষই রয়েছেন যারা নিজেদের girl friend, boy friend কিংবা husband, wife কে নিয়ে সবার সাথে বা নিজের বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে থাকে।

ধরুন দুজন বন্ধু যাদের নাম রাম এবং শ্যাম।রামের বউ এর character ঠিকঠাক নয় কিন্তু তবুও সে চেষ্টা করে নিজের বউ কে ভালোবেসে বুঝানোর।আর এ বিষয়ে কখনো কারো সাথে কোনো কথাই বলে না।

অন্যদিকে শ্যামের বউ এরও character ও ঠিকঠাক নয়।কিন্তু শ্যাম তা সমস্ত বন্ধু এমনকি তার বউ এর বান্ধবীদের সাথেও এই কথা নিয়ে আলোচনা করে।যেমনটা সব সময় হয়ে থাকে অর্থাৎ শ্যাম হয়তো বলে ফেললো কী করা যায় বলতো ও কে তো কিছুতেই শোধরাতে পারছি না এখন শ্যামের বন্ধুরা নিশ্চয় তাকে কিছু সাজেশন দিবে যেগুলি apply করে শ্যামের সম্পর্কটা ঠিক হওয়ার বদলে হয়তো উল্টে আরো নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

অবশ্যই পড়ুন-

এছাড়া শ্যামের সেসব বন্ধুরাও জানে তার বউ এর চরিত্র কিছুটা ঠিক নয় তাই তারা এই পরিস্থিতির লাভ উঠানোর চেষ্টাও করতে পারে বাকি বাস্তবটা আপনারা নিশ্চয় বুঝেন।

এছাড়াও এই কারণেই সকলের কাছে শ্যামের সম্মানও কিছুটা কমে যাবে।কিন্তু রাম অন্যদের সাথে আলোচনা না করে নিজের ভালোবাসা নিজের বউ এর ভুল শুধরে দেওয়ার কারণে সে স্বাভাবিক ভাবেই শ্যামের থেকে বেশি happy এবং সম্মানও ঠিক থাকবে।

একইভাবে নিজের সম্পর্কের কোনো দিকটাই অন্য কারো সাথে আলোচনা না করাটাই (বুদ্ধিমানের কাজ)। 

4.If any uneducated person insult you | অশিক্ষিত ব্যক্তি অপমান

যদি আপনাকে কখনো কোনো “অশিক্ষিত ব্যক্তি” কোন কারণে অপমান করে থাকে তাহলে সেই ঘটনাটি কখনোই কারো সাথে আলোচনা করবেন না।

তাহলে আপনি সবার কাছে হাসির পাএ হয়ে উঠবেন।যেমন ধরুন রহিম রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কোনো এক পাগল তাকে গালাগালি করলো আর সেই কথাটি সে এসে সামিকে বললো।

তাহলে সামি নিশ্চয় রহিমকে হাসির পাএ বানিয়ে তাকে নিয়ে হাসাহাসি শুরু করবে। কিন্তু যখন কেউ  আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করে তখন আমাদের আত্মসম্মানে আঘাত লাগে।

অবশ্যই পড়ুন-

তাই আমরা না চাইলেও ঐ ঘটনাকে মনে করতে থাকি অর্থাৎ খুব সহজ ভাবে আপনার খুশির বারোটা বেজে গেলো আরকি তাই এধরনের ব্যক্তিদের অপমান নিয়ে কখনো কারো সাথে আলোচনা করবেন না।

তো বন্ধুরা এই ছিল এমন ৪টি ছোট্ট tips যে কীভাবে আপনি আপনার জীবনে আসা দুঃখকে আটকিয়ে সব সময় "সুখি ও আত্নবিশ্বাসী" থাকতে পারেন।আশা করছি পোস্টটির মাধ্যমে আপনাদের কিছু সাহায্য করতে পেরেছি।

আমাদের শেষ কথাঃ

বন্ধুরা, আশা করি "সুখী-হওয়ার-উপায়" সম্পর্কে আপনি বুঝতে পারছেন, পোস্টটি ভালো লাগল বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের (অনলাইন কাজ) ওয়েবসাইট সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের সাইটটি সাবস্ক্রাইব করতে পারেন নতুন নতুন সব পোস্ট পাওয়ার জন্য ভালো থাকবেন।

📝রাইটারঃ-সুমাইয় জান্নাত রিয়া 

📃onlinekaj.com 

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post