গরীব থেকে ধনী হওয়ার ২টি অভ্যাস।

ধুর!জানিই না আমার এই জীবনে আমার কিছু হবে কী না।ব্যবসা শুরু করবো কিন্তু টাকাই তো নাই।টাকাই বা কে দেবে?কোনো চাকরিও পাচ্ছি না আর আমার তো কোনো ডিগ্রিও নেই।

চাকরিটাই বা কী করে পাবো?না আছে টাকা না আছে গার্লফ্রেন্ড আর গার্লফ্রেন্ড থাকতে গেলেও তো বাইক থাকতে হবে।মনে হচ্ছে এ জীবনটা বৃথা।

গরীব থেকে ধনী হওয়ার ২টি অভ্যাস

গরীব থেকে ধনী হওয়ার ২টি অভ্যাস

এতো খারাপ ভাগ্য নিয়ে পৃথিবীতে আসার জন্য কী আমি একাই ছিলাম?কী জানি কার কী এতো ক্ষতি করেছি যার জন্য জীবনে কোনো মূল্যই নেই আমার।

আপনার মনেও কী এ ধরনের চিন্তাগুলো বারবার আসতে থাকে।যদি সত্যিই এটি আপনার সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে রিকুয়েষ্ট করছি এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য।

আর অবশ্যই পোস্টটি পড়ার সময় "নিজের বুদ্ধির চোখটা খোলা রাখুন কারণ এই পোস্টটি জীবন সম্পর্কে আপনার ধারণাই বদলে দিবে"।

কোনো এক গ্রামে কিশোর নামের একটি ছেলে থাকতো।যে গ্রামের পাড়ার মোড়ে চা বিক্রি করতো।সে ভীষণ ভালো চা বানাতে পারলেও দোকানের স্বল্প ইনকামের জন্য তার খাওয়া-দাওয়া এবং পরিবারও ঠিকমতো চলতো না।

তাই অনেক ভাবনা চিন্তার পর সে সিদ্ধান্ত নিল শহরের বড় কোনো কোম্পানিতে গিয়ে সে চা বানানোর কাজ করবে।সেই মতোই সে বড় একটি কোম্পানিতে গিয়ে interview দিলো।

তার বানানো চা খেয়ে সবাই তার প্রশংসা করলো।এরপর ঐ কোম্পানি থেকে জানতে চাইল যে তার কাছে কোনো ই-মেইল এড্রেস আছে কী না?কিশোর জবাব দিলো যে না।তার কাছে তো কোনো ই-মেইল এড্রেস নাই।

কারণ গ্রামের ছেলে হওয়াই সে এসব সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানতো না।তখন তাকে বলা হলো যে  ই-মেইল এড্রেস ছাড়া তোমার সাথে officially connected হওয়া সম্ভব নয়।

এবং এই কারণেই তাকে এই কাজটি থেকে রিজেক্টও করা হয়।বাইরে এসে সে নিজেকেই দোষ দিতে লাগল।যে আমার কাছে কোনো ই-মেইল এড্রেস কেনো নেই?কারণ ই-মেইল এড্রেস থাকলে সে তো ঐ চাকরিটা পেয়ে যেতো।

তারপর সে রাস্তার ধারে কিছু মানুষকে সবজি বিক্রি করতে দেখলো।আর ভাবলো রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোর থেকে তো এটাই ভালো যে কিছুদিন সবজিই বিক্রি করা যাক।

এভাবে সে প্রথমে আড়ৎ থেকে সবজি এনে বাজারে বিক্রি করতে থাকলো।কয়েক বছর এভাবে কাজ করার পর সে নিজের আড়ৎও খুলে ফেললো।

অবশ্যই পড়ুন-

এভাবেই আরো কয়েক বছর কাজ করার পর সে এই ব্যবসাটিতেট কোটিপতি হয়ে উঠলো।এরপরই একদিন এক রিপোর্টার তার interview নিতে আসলো এবং interview শেষ করার পর রিপোর্টার তাকে বললেন,স্যার আমি কী আপনার ই-মেইল এড্রেসটা পেতে পারি?

তখন কিশোর হেসে হেসে সেই রিপোর্টারকে জবাব দিলো আ!রে মশাই এই ই-মেইল এড্রেস না থাকার কারণেই তো আমি এই স্থানে পৌঁছাতে পেরেছি।

করাণ তার যদি ই-মেইল এড্রেস থেকে থাকতো তাহলে আজও সে ঐ কোম্পানিতে চাকরি করতো।

তো বন্ধুরা এই ছোট্ট গল্প থেকে আমরা আমাদের জীবনে apply করার জন্য দুটি খুবই মূল্যবান habit সম্পর্কে জানতে পারলাম।

১.আপসোস না করাঃ

আমরা জীবনে যেকোনো পরিস্থিতিতে আপসোস করি।যেমন আমার টাকা নাই তাই ব্যবসা করতে পারছি না। বাইক নাই তাই কোনো মেয়েকে impress করতে পারছি না।

 কিন্তু হতে যে আমাদের এই ছোট ছোট অভাব যার জন্য নিজের জীবনকে দোষ দিচ্ছেন।সেই সব ছোট খাটো অভাবই হয়তো একদিন আপনার জীবনের সাফল্যের সবচেয়ে বড় কারণ হয়ে উঠবে।

২.অ্যাকশন নেওয়াঃ

বেশিরভাগ মানুষ জীবনে ব্যর্থ হয়ে যায় কারণ ১০০ জনের মধ্যে ৯০ জন মানুষই জীবনে অনেক চিন্তা ভাবনা করার পরও কখনো অ্যাকশন নেয় না।

যে কাজটি সে করতে চায় সে কাজটি শুরুই করে না।যেমন এ গল্পে যদি কিশোর তার চাকরিটা না পাওয়ার পর সব আশা ছেড়ে গ্রামে ফিরে যেতো তাহলে সাফল্যের কোনো চান্সই ছিল না তার।

অবশ্যই পড়ুন-

সে সফল হতে পেরেছে কারণ নিজের ব্যর্থতায় হাল ছেড়ে না দিয়ে নিজেই অ্যাকশন নিয়েছে পরবর্তী কাজটি শুরু করার জন্য।তাই আমাদের  কেউ কোনো ব্যর্থতায় বা অভাবে আপসোস করা ছেড়ে জীবনকে positive নজর এ দেখে  imedate অ্যাকশন নিতে হবে পরবর্তী কাজের দিখে।

কারণ বাড়িতে বসে আপসোস করে আর চিন্তা করে  কখনোই আব্দুল কালাম কিংবা বিল গেটস এর মতো একজন বড় মানুষ হওয়া সম্ভব নয়।

আমাদের শেষ কথাঃ

বন্ধুরা, আশা করি "গরীব থেকে ধনী হওয়ার ২টি অভ্যাস" সম্পর্কে আপনি বুঝতে পারছেন, পোস্টটি ভালো লাগল বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আমাদের (অনলাইন কাজ) ওয়েবসাইট সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের সাইটটি সাবস্ক্রাইব করতে পারেন নতুন নতুন সব পোস্ট পাওয়ার জন্য ভালো থাকবেন।

📝রাইটার- সুমাইয়া জান্নাত রিয়া 

📃Onlinekaj.com

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment

By commenting you acknowledge acceptance of Whatisloved.com-Terms and Conditions

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post